কাঁচা রসুন: সকালে খালি পেটে এক-দু’কোয়া কাঁচা রসুন সামান্য মধু বা অন্য খাবারের সাথে মিশিয়ে খাওয়া যেতে পারে। রসুনে অ্যান্টি-প্যারাসাইটিক উপাদান থাকে। তবে, শিশুর বয়স কম হলে অথবা সে খেতে না চাইলে জোর করবেন না।
কাঁচা পেঁপে: কাঁচা পেঁপের রসে ‘পাপাইন’ নামক এনজাইম থাকে, যা কৃমি দূর করতে সাহায্য করে বলে ধারণা করা হয়। সামান্য কাঁচা পেঁপের রস মধুর সাথে মিশিয়ে সকালে খালি পেটে অল্প পরিমাণে খাওয়ানো যেতে পারে।
নারকেল: সকালে খালি পেটে অল্প পরিমাণে নারকেল কোরা বা নারকেল তেল খাওয়ানো যেতে পারে। নারকেল কৃমি দূর করতে সহায়ক।
মিষ্টি কুমড়ার বীজ: কুমড়ার বীজে ‘কিউকারবিটাসিন’ (Cucurbitacin) থাকে যা কৃমিকে পক্ষাঘাতগ্রস্ত করে দিতে পারে। বীজ গুঁড়ো করে মধু বা পানির সাথে মিশিয়ে সামান্য পরিমাণে খাওয়ানো যেতে পারে।
গাজর: ফাইবার সমৃদ্ধ গাজর প্রতিদিন সকালে খালি পেটে খেলে এটি অন্ত্রের কৃমি বের করে দিতে সহায়তা করতে পারে।
১ বছরের নিচের বাচ্চাদের এসব পদ্ধতি ব্যবহার করবেন না।
Md.Rafiqul Islam Lipu,Date:-19-09-2026,Saturday,Time:-06-04-35 Pm