Image attached:-

Allergy Panel Test কী?
সহজ কথায়, এটি একটি রক্ত পরীক্ষা (Blood Test)। আমাদের শরীর যখন কোনো সাধারণ জিনিসের প্রতি অতিরিক্ত সংবেদনশীল বা ‘সেনসিটিভ’ হয়ে প্রতিক্রিয়া দেখায়, তাকে আমরা অ্যালার্জি বলি।
এই টেস্টের মাধ্যমে বাচ্চার রক্তে IgE (Immunoglobulin E) নামক একটি অ্যান্টিবডির মাত্রা মাপা হয়। আমাদের ল্যাবে নির্দিষ্ট কিছু প্যানেল থাকে (যেমন: ফুড প্যানেল বা রেসপিরেটরি প্যানেল), যা দিয়ে একসাথে অনেকগুলো অ্যালার্জেনের (যেসব উপাদান অ্যালার্জি তৈরি করে) উপস্থিতি পরীক্ষা করা যায়।
কোন বাচ্চাদের এই টেস্ট করা হয়?
বারবার ঠান্ডা-কাশি বা হাঁচি: কোনো কারণ ছাড়াই বা ঋতু পরিবর্তনের সাথে সম্পর্ক ছাড়াই বাচ্চার সবসময় নাক দিয়ে পানি পড়া, নাক চুলকানো বা চোখ লাল হয়ে পানি পড়া।
হাঁপানি বা অ্যাজমা (Asthma): বাচ্চার বুকে সায়ঁ সায়ঁ শব্দ হওয়া, রাতে বা ভোরে কাশি বেড়ে যাওয়া, অথবা শ্বাসকষ্ট হওয়া।
ত্বকের সমস্যা (Atopic Dermatitis/Eczema): বাচ্চার চামড়া অতিরিক্ত শুষ্ক হয়ে যাওয়া, লালচে হয়ে চুলকানো বা র্যাশ ওঠা।
খাবারে তীব্র প্রতিক্রিয়া: কোনো নির্দিষ্ট খাবার (যেমন: গরুর দুধ, ডিম, চিংড়ি, বেগুন, বাদাম) খাওয়ার পর যদি বাচ্চার শরীর চুলকায়, বমি হয়, পেট ব্যথা হয় বা শরীর ফুলে যায়।
অজানা কারণে অ্যালার্জি: বাচ্চার ঘনঘন আর্টিকারিয়া (Urticaria) বা চাকা চাকা হয়ে শরীর চুলকাচ্ছে, কিন্তু কোনোভাবেই কারণ খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।
এই টেস্ট করে কী বুঝা যায়?
বাচ্চার শরীরে অ্যালার্জির প্রবণতা কেমন: রক্তে মোট IgE-এর মাত্রা বেশি থাকলে বুঝা যায় বাচ্চার শরীরে অ্যালার্জির সমস্যা রয়েছে।
নির্দিষ্ট কারণ বা ‘ট্রিগার’ সনাক্তকরণ: বাচ্চা ঠিক কোন কোন জিনিসে অ্যালার্জিক, তা সুনির্দিষ্টভাবে জানা যায়। যেমন:
খাদ্য উপাদান (Food Allergens): গরুর দুধ, ডিমের সাদা অংশ, গম (গ্লুটেন), বাদাম বা নির্দিষ্ট কোনো মাছ/মাংস।
পরিবেশগত উপাদান (Inhalant/Environmental Allergens): ঘরের ধুলোবালি (Dust Mites), পোষা বিড়াল বা কুকুরের লোম, গাছের পরাগরেণু (Pollen) বা ছত্রাক (Mold)।
Md.Rafiqul Islam Lipu,Date:-19-09-2026,Saturday,Time:-06-04-35 Pm