Image attached:-




নাহিদ, বয়স ৪ বছর, তার আম্মু ডাক্তারের কাছে নিয়ে আসছেন, তার সমস্যা হচ্ছে,
তার জ্বর উঠছে ১ দিন আগে, জ্বর উঠার একদিন পর থেকে সে কিছু খেতে চাচ্ছেনা, তার আম্মু হা করাইয়া দেখলো, মুখ গহবরের ভিতর ছোট ছোট ব্লিস্টারের মত ফুসকুড়ি উঠে আছে, তাই ব্যাথায় সে কিছু খেতে পারছেনা, এর একদিন পর তার হাতে ও পায়েও র্যাশ দেখা দিয়েছে..
তার রোগ কি, প্রতিকার কি?
বাচ্চাটার রোগের নাম হচ্ছে..
হ্যান্ড ফুট এন্ড মাউথ ডিজিজ (HFMD)
এটি একটি ভাইরাস জনিত সংক্রামক রোগ, কক্সাকি ভাইরাস দিয়ে এই রোগ হয়. ৫ বছরের কম বয়সের শিশুরা এই রোগে বেশি আক্রান্ত হয়, কেউ যদি এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে যায়, এবং তার যদি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকে, তাহলে সেও এই ভাইরাস দিয়ে আক্রান্ত হতে পারে।
বর্তমান সময়ে HFMD (Hand, Foot and Mouth Disease) প্রতিদিনই হাসপাতালে আউটডোরে বা চেম্বারে পাচ্ছি। অনেকেই এই রোগকে স্ক্যাবিস মনে করলেও এতা স্ক্যাবিস নয়। এটি একটি ভাইরাসজনিত রোগ, যা সাধারণত শিশুদের মধ্যে হয়ে থাকে। এটি বেশ সংক্রামক, তবে সাধারণত মৃদু প্রকৃতির এবং ৭–১০ দিনের মধ্যে ভালো হয়ে যায়।
HFMD কী কারণে হয়?
এর প্রধান কারণ Coxsackievirus A16, Enterovirus 71 (EV-A71) এবং অন্যান্য Enterovirus। এটি ছড়ায়:
*লালা, নাকের নিঃসরণ
*ফুসকুড়ির তরল
*মল
*সংক্রামিত বস্তুর সংস্পর্শে
- সাধারণ লক্ষণসমূহ:-
- ভাইরাস শিশুর শরীরে প্রবেশের ৩–৬ দিন পর (Incubation Period) লক্ষণ দেখা দিতে শুরু করে:
- * প্রাথমিক লক্ষণ: হালকা থেকে তীব্র জ্বর, গলা ব্যথা, খাবারে অরুচি ও অলসতা।
- * মুখে ঘা (Mouth Sores): জ্বরের ১–২ দিন পর জিভ, মাড়ি ও গালের ভেতরের দিকে লালচে দাগ থেকে ছোট ছোট ব্যথাদায়ক ফোসকা বা ঘা হয়। ফলে শিশু গিলে খেতে পারে না এবং অনবরত লালা ঝরে।
- * চামড়ায় র্যাশ (Skin Rash): হাতের তালু, পায়ের তলা, নিতম্ব (Buttocks), কনুই ও হাঁটুতে ছোট লালচে গুটি বা পানিযুক্ত ফোসকা দেখা দেয়। সাধারণত এতে চুলকানি থাকে না।
- ডিফারেন্সিয়াল ডায়াগনসিস (একই রকম দেখতে অন্যান্য রোগ)
- শিশুর গায়ে গুটি দেখলে অন্য কিছু ভেবে ভুল না করার জন্য ডাক্তাররা এগুলো থেকে পার্থক্য নির্ণয় করেন:
- * চিকেনপক্স (Chickenpox): সারা শরীরে মারাত্মক চুলকানিযুক্ত ফোসকা হয়।
- * হার্পিস স্টোমাটাইটিস (Herpetic Stomatitis): শুধু মুখের ভেতরের সামনের দিকে ও ঠোঁটে বড় বড় ঘা হয়।
- * হাম (Measles): উচ্চ জ্বর, চোখে আলো সহ্য না হওয়া এবং মুখ থেকে শুরু হয়ে সারা শরীরে র্যাশ ছড়ায়।
- * অ্যালার্জি বা মশার কামড়।
- পরীক্ষা-নিরীক্ষা (Diagnosis)
- সাধারণত অভিজ্ঞ চিকিৎসক শিশুর বয়স ও লক্ষণ দেখে (Physical Examination) রোগ নির্ণয় করতে পারেন, কোনো ল্যাব পরীক্ষার প্রয়োজন হয় না। তবে জটিল ক্ষেত্র বা প্রাদুর্ভাবের ক্ষেত্রে:
- * গলার সোয়াব (Throat swab) বা মলের নমুনা থেকে RT-PCR Test করে ভাইরাস শনাক্ত করা হয়।
- চিকিৎসা ও ঘরোয়া সেবা (Treatment):-
- HFMD-এর সরাসরি কোনো নির্দিষ্ট অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ বা অ্যান্টিবায়োটিক নেই। এটি একটি Self-limiting রোগ, যা সাধারণত ৭-১০ দিনের মধ্যে নিজে থেকেই ভালো হয়ে যায়।
- চিকিৎসার মূল উদ্দেশ্য লক্ষণ প্রশমন করা:
- * জ্বর ও ব্যথার জন্য: চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী বয়স ও ওজন মেপে প্যারাসিটামল (Paracetamol) বা আইবুপ্রোফেন (Ibuprofen) দিন। (কখনোই শিশুদের অ্যাসপিরিন দেবেন না)।
- * ডিহাইড্রেশন প্রতিরোধ: মুখে ঘা থাকায় শিশু তরল খেতে চাইবে না। তাকে বারবার ঠান্ডা পানি, দুধ, ডাবের পানি, জুস বা আইস পপ দিন।
- * নরম খাবার: গরম, টক, ঝাল ও নোনতা খাবার এড়িয়ে চলুন। ঠান্ডা খিচুড়ি, সুজি, দই বা পায়েস দিন।
- সম্ভাব্য জটিলতা (Complications)
- অধিকাংশ শিশুই চিকিৎসাপত্র ছাড়াই সুস্থ হয়ে যায়, তবে বিরল ক্ষেত্রে কিছু জটিলতা হতে পারে:
- * ডিহাইড্রেশন (পানি শূন্যতা): সবচেয়ে সাধারণ জটিলতা।
- * নখ ঝরে যাওয়া (Nail Shedding): অসুস্থতার ২–৪ সপ্তাহ পর নখ সাময়িকভাবে খসে যেতে পারে, যা পরবর্তীতে আবার স্বাভাবিকভাবে গজায়।
- * মস্তিষ্কে সংক্রমণ (Viral Meningitis/Encephalitis): অত্যন্ত বিরল, তবে EV-71 ভাইরাসের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
- কখন দ্রুত ডাক্তারের কাছে যাবেন? (Red Flag Signs)
- * শিশু প্রস্রাব না করলে (৮ ঘণ্টার বেশি) বা চোখ বসে গেলে।
- * ৩ দিনের বেশি টানা অতিরিক্ত জ্বর থাকলে।
- * অনবরত বমি বা অতিরিক্ত খিঁচুনি/অস্বাভাবিক ঝিমুনি হলে।
- * ১০ দিন পরও লক্ষণের কোনো উন্নতি না হলে।
১. জ্বর
২. মুখে আলসার/ঘা – জিহ্বা, মাড়ি, ঠোঁটে
৩. হাত ও পায়ে লাল ফুসকুড়ি বা ফোস্কা
৪. গলা ব্যথা, খাওয়ায় অরুচি
৫. নির্জীবতা ও বিরক্তিভাব
> কিছু ক্ষেত্রে পায়ের তলায় বা নিতম্বে ফুসকুড়িও দেখা যায়।
চিকিৎসা কী?
HFMD-এর নির্দিষ্ট ওষুধ নেই — এটি সাধারণত নিজে থেকেই ভালো হয়ে যায়। তবে উপসর্গ অনুযায়ী ব্যবস্থাপনা করা হয়:
প্যারাসিটামল বা আইবুপ্রোফেন (জ্বর বা ব্যথার জন্য)
Syrup 1.Napa 120mg/5ml 60ml/100ml bottle AS a Parasitamol As a Non-Opioid Analgesics .baby er weight onujai diben.
3 mL প্রতি 6 ঘণ্টা পর প্রয়োজন হলে, সর্বোচ্চ দিনে 4 বার।৩ mL = আধা চা-চামচের একটু বেশি।
সহজভাবে: ½ চা-চামচ + আরও ০.৫ mL।
প্যারাসিটামল এর ডোজ.
সাধারণত বাচ্চাদের ক্ষেত্রে প্যারাসিট্যামল এর ডোজ হচ্ছে
15 mg /Kg /dose 6 hourly or 60 mg/kg/day
ধরুন.. ৫ কেজির বাচ্চা, তাকে প্যারাসিটামল দিবেন, তাহলে তার ডোজ কি হবে?
তার প্রতি ডোজ হবে 5*15=75 mg
তাহলে বুঝা গেলো, প্রতি ৬ ঘন্টা পর পর 75 mg করে প্যারাসিটামল দিতে হবে,
জ্বর এর জন্য বাচ্চাকে Napa drop / Napa syrup দুইটার যে কোনো একটা দিতে পারেন, তবে ডোজ ঠিক থাকতে হবে,
এবার জেনে নিন,
সিরাপ সাধারণত চামচে করে খাওয়ানো হয়,
আর ড্রপ ফোটা ফোটা হিসাবে খাওয়ানো হয়,
নাপা সিরাপের সাথে যে চামচ দেওয়া হয়,
সেই চামচের ক্যাপাসিটি হচ্ছে 5 ml.
ম্যাক্সিমাম ঔষধ এর চামচের ক্যাপাসিটি হচ্ছে 5 ml.
এক চামচ নাপা সিরাপ =5 ml Napa syrup
5 ml Napa সিরাপের মধ্যে ঔষধের পরিমান হচ্ছে ১২০ mg.
তাহলে ১ চামচ = ১২০ মিঃগ্রা
আবার এক চামচ সমান =৫ মিলি
৫ মিলি= ১২০ বা ১২৫ হলে
প্রতি মিলি = ১২৫/৫ =২৫ mg
এখন আপনি যদি ৫ কেজির বাচ্ছাকে নাপা সিরাপ দিতে চান,
তাহলে ৫*১৫ =৭৫ mg দিবেন,
যেহেতু ১ মিলি নাপা সিরাপ = 25 mg
So 75 mg dose দেওয়ার জন্য আপনাকে 3 ml napa syrup দিতে হবে।
সব সময় একটা কথা মনে রাখবেন, ১ চামচ = ৫ মিলি
হাপ চামচ = ২.৫ মিলি
তাহলে আপনি দিতে হবে ৩ মিলি, তার মানে হাপ চামচ থেকে কিছু টা বেশি, আপনি প্রেশক্রিপশনে কি লিখবেন?
Rx–
Syrup : Napa
3 ml * 6 hourly
বাচ্চার আম্মাকে বুঝাই দিবেন, যে চামচে দাগ দেওয়া আছে, ১ মিলি, ২ মিলি, ৩ মিলি, ৫ মিলি পর্যন্ত, চামচের দাগ দেখে
৩ মিলি করে খাওয়াবেন,
অথবা আরেকটু সহজ করতে পারেন,
syrup: Napa
2/3 চামচ করে দিন ৪ বার।
ব্যাখ্যা ; ১ চামচ সমান 120 mg
তাহলে এক চামচ কে ৩ ভাগ করলে হচ্ছে 40 mg
So 2/3 TSF = 80 mg ( ৫ কেজি বাচ্চার ডোজ হচ্ছে ৭৫ মিঃগ্রাঃ) 80 and 75 nearly same. 5 mg যদিও বেশি মনে হচ্ছে, জানা উচিৎ, কিছু ঔষধ চামচেই লেগে থাকে, বাচ্চাদের সব খাওয়ানো যায়না।
এবার আসি আরো সহজ ফর্মুলায়,
মনে করুন বাচ্চাকে চামচ দিয়ে ঔষধ খাওয়ানো যায়না
সাধারণত ৬ মাসের নিচের বাচ্চাদের চামচ দিয়ে ঔষধ খাওয়ানো যায়না,
সেইক্ষেত্রে সিরাপ চয়েজ না করে ড্রপ চয়েজ করবেন
কারণ ড্রপে ড্রাগ কন্সেন্ট্রেশন বেশি থাকে।
1 ml Napa drop = 80 mg paracetamol
আবার 1 ml = 15 ফোটা
তাহলে ৫ কেজির বাচ্চাকে ৭৫ মিঃগ্রা নাপা দিতে হলে
1 ml Napa drop দিলেই হবে,
প্রেশক্রিপশনে যা লিখবেন.
Drop: Napa
1 ml করে দিনে ৪ বার,
অথবা ১৫ ফোটা করে দিনে ৪ বার।
napa drop: 5 kg হলে ১৫ ফোটা, তার মানে প্রতি কেজির জন্য ৩ ফোটা।
ধরুন.. বাচ্চার ওজন ৪ (চার) কেজি, তাহলে কি লিখবেন?
প্রতি কেজিতে ৩ ফোটা হলে ৪ কেজিতে ৩*৪=১২ ফোটা
Drop : Napa
12 ফোটা করে দিনে ৪ বার,
বাচ্চার ওজন ৬ কেজি,
Drop: Napa
18 ফোটা করে দিনে ৪ বার
তাহলে কি বুঝলেন,
যদি আপনি ৫ কেজির বাচ্চাকে সিরাপ লিখে দেন, তাহলে তাকে চামচে করে অনেক পরিমান ঔষধ খাওয়ানো লাগবে ডোজ মেইনটেইন করার জন্য, কারণ সিরাপে ড্রাগ এর ঘনত্ব কম থাকে, তাই 5 kg baby এর জন্য 75 mg dose দিতে
২/৩ চামচ অথবা 3 ml করে দেওয়া লাগবে।
যা বাচ্চার মায়ের পক্ষে খাওয়ানো কষ্টকর হয়ে যাবে,
হা যখন বাচ্চার বয়স ৭-৮ মাস হবে, তখন তাকে চামচে করে খাওয়ানো সমস্যা হবেনা।
কিন্ত ৫ কেজির বাচ্চাকে ড্রপ লিখে দিলে অল্প খাওয়ালেই চলবে, কারণ ড্রপ এ ড্রাগস ঘনত্ব অনেক বেশি থাকে।
1 ml napa drop =80 mg paracetamol
অন্যদিকে
1 ml Napa syrup = 25 mg paracetamol
এবার ধরুন,
৮ কেজি বাচ্চার প্যারাসিটামল ডোজ কিভাবে দিবেন,
যেহেতু বাচ্চার ওজন ৬ এর বেশি, তাকে আপনি সিরাপ কিংবা ড্রপ দুইটাই দিতে পারেন,
যদি সিরাপ দেন,
8kg*15= 120 mg per dose
আমরা জানি 1 চামচ = 120 mg
So তাকে
syrup napa
1 TSF 6 hourly লিখে দিলেই চলবে।
আর যদি ড্রপ দেন,
আমরা জানি প্রতি কেজিতে ৩ ফোটা
so..
Drop: Napa
24 fota করে দিনে ৪ বার
Jehetu jor hole baby khete chai na and baby er ruchi kome jai tai soto baby ke ruchi and immunity bosting korar jonnho zinc syrup dewa jabe
Syrup 2. Xinc 10 mg/5ml 100ml/150ml bottle AS A Zinc Sulfate Monohydrate AS A Specific mineral preparations, Vaccines, Anti-sera & Immunoglobulin.
বয়স ৬ মাসের নিছে হলে– 10 mg in 2 Divided dose
৬ মাসের উপরে হলে =20 mg in 2 Divided dose.
সুতরাং – ৬ মাসের নিছে বয়স হলে সারাদিনে ১ চামচ পাবে,
২ বেলায় দিলে আধা চামচ করে দিনে ২ বার,
আর ৬ মাসের উপরে হলে-20 mg বা ২ চামচ পাবে
১ চামচ করে দিনে ২ বার…to be continue 15 days
Baby er sara sorir e jehutu skine e rash uthhe pore kalo hoie jai tai jehutu aita akta viral fever tai virus er load ta komate amra akta syrup dite pari baby ke r ta holo…..
Syrup 3.Virux 200mg/5ml 70ml bottle AS A Acyclovir AS A Herpes simplex & Varicella-zoster virus infections.
Baby er Skin er Rash komar jonnho Virux 5% w/w use kora jete pare
OR
Cream 3.Virux 5% w/w 10gm tube AS A Acyclovir As a Topical Antiviral preparations.
E sara o amra skin er rash komanor jonnho aro akta lotion use kori ta holo
Lotion 4.Calamine 15%+5%+5% 100ml bottle As a Calamine+zinc oxide+Glycerine As a Local Antipruritic.
6 gonta por por Virux syrup 200 mg/5 mL হলে, 5 kg baby-তে 20 mg/kg/dose = 2.5 mL = ½ চা-চামচ প্রতি dose। 6 gonta por por daily 4 bar.
abar baby weight 10 kg হলে: 5 mL = ১ চা-চামচ প্রতি dose। 6 gonta por por dibe 4 bar
E sara o চুলকানির জন্য এন্টিহিস্টামিন খাওয়াতে পারেন,
Syrup 5.Alatrol half chamoch kore daily 2 bar bora pete khawate hobe.
| 10 kg | 5 mL QID |
| 15 kg | 7.5 mL QID |
| 20 kg | 10 mL QID |
| 25 kg | 12.5 mL QID |
| 30 kg | 15 mL QID |
| ≥40 kg | 20 mL = 800 mg QID |
QID = চারবার দিনে (quater in die).
অর্থাৎ, কোনো ওষুধে QID লেখা থাকলে সাধারণত দিনে ৪ বার, প্রায় প্রতি ৬ ঘণ্টা অন্তর বোঝায়।
উদাহরণ: Acyclovir 5 mL QID × 5 days → 5 mL করে দিনে ৪ বার, ৫ দিন।
আরও common abbreviation:
OD = দিনে ১ বার, BD/BID = দিনে ২ বার, TDS/TID = দিনে ৩ বার, QID = দিনে ৪ বার।
ঠাণ্ডা তরল/সফট খাবার খাওয়াতে উৎসাহ দেওয়া
পানি ও তরল বেশি করে পান করানো
মুখের ঘা থাকলে কষ্ট কমানোর জন্য অ্যান্টিসেপটিক গার্গল বা জেল ব্যবহার
কখন ডাক্তারের কাছে যেতে হবে?
পানি খেতে না পারলে
বারবার বমি করলে
অবচেতনতা বা খিঁচুনি হলে
৩–৫ দিনের বেশি জ্বর থাকলে
শিশুর শ্বাসকষ্ট হলে
প্রতিরোধের উপায়
বারবার হাত ধোয়া (বিশেষ করে বাচ্চার মল পরিষ্কারের পর)
সংক্রামিত বাচ্চাকে আলাদা রাখা
খেলনা, জিনিসপত্র ও পৃষ্ঠসমূহ জীবাণুমুক্ত রাখা
স্কুল বা ডে-কেয়ারে সচেতনতা বৃদ্ধি করা।
উপসর্গ-
ভাইরাস দিয়ে আক্রান্ত হবার ৩-৬ দিনের মধ্যে অল্প তাপমাত্রা থেকে মধ্যমমানের (১০২ ডিগ্রি) তাপমাত্রা সহকারে জ্বর আসবে।
জ্বর হবার ২৪ ঘন্টার মধ্যে গলা ব্যাথা শুরু হবে, খাওয়ার রুচি কমে যাবে. ক্লান্তি লাগবে, শরীর দূর্বল হয়ে যাবে, গলা ব্যাথার কারণে বাচ্চা খাবার কিংবা পানি কিছুই খেতে চাইবেনা, তখন পানিশূন্যতা বা ডিহাইড্রেশন হতে পারে, গলা ব্যাথার পাশাপাশি মুখ গহব্বরের ভিতর ছোট ছোট সাদা আকৃতির ফুসকুড়ি দেখা দিবে, ঠোঁটের আসেপাশে র্যাশ দেখা দিবে, র্যাশগুলি কিছুটা পেইনফুল হবে। র্যাশ গুলিতে চুলকানিও থাকতে পারে।
জ্বর শুরু হবার ২-৩ দিনের মধ্যে হাত ও পায়েও র্যাশ দেখা দিবে, হাত, পা ও মুখ কে আক্রান্ত করার কারণে এই রোগ কে হ্যান্ড ফুট এন্ড মাউথ ডিজিজ বলে।
কারণ-
কক্সাকি ভাইরাস দিয়ে সংক্রমিত হলেই এই রোগ হয়।
যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দূর্বল, তারা কক্সাকি ভাইরাস দিয়ে সংক্রমিত হলে এই রোগ দেখা দেয়।
যেভাবে ছড়ায়.
এই রোগ মূলত ফিকো-ওরাল রুট এবং নাকের পানি, থুথু, ও কাশির মাধ্যমে ছড়ায়, এবং হাত ও পায়ের র্যাশ সমূহের সংস্পর্শেও ছড়ায়, তাই বলা যায়, এই রোগ নিম্নোক্ত উপায়ে ছড়াতে পারে,
১.আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে গেলে
২. আক্রান্ত ব্যক্তির জামা কাপড় ব্যবহার করলে
৩. আক্রান্ত ব্যক্তির ব্যবহৃত গ্লাস ব্যবহার করলে কারণ সেখানে স্যালাইভা থাকতে পারে, এবং স্যালাইভাতে ভাইরাসব থাকতে পারে।
৪. দুষিত পানির মাধ্যমে, যথা আক্রান্ত ব্যক্তির মল যুক্ত কোনো কাপড় যদি পুকুরে ধৌত করা হয়, তাহলে সেই পানিতে ভাইরাস থাকবে, আবার সেই ভাইরাস সমৃদ্ধ পানি কোন ভাবে খাওয়া হলে সেইক্ষেত্রেও রোগ হতে পারে।
জটিলতা..
এই রোগ থেকে টনসিলাইটিস, ফ্যারিঞ্জাইটিস, ল্যারিনজাইটিস মেনিনজাইটিস, সেকেন্ডারি স্কিন ইনফেকশন হতে পারে।
প্রতিরোধ –
খাবার আগে ভালোভাবে হাত ধোয়া, বিশুদ্ধ পানি পান করা, পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন চলা, আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে না যাওয়ার মাধ্যমে এই রোগ প্রতিরোধ করা যায়৷ এবং নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করা, ভিটামিন এ,ই সি সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। তাই এসব খাবার বেশি বেশি খাবে।
চিকিৎসা –
যেহেতু এইটা ভাইরাস জ্বনিত রোগ, তাই এই রোগ ভাইরাস জনিত রোগের মত ৭-১০ দিনের মধ্যে ভালো হয়ে যাবে,
তাই বাচ্চা যদি ঠিকমত খাবার খেতে পারে, তাহলে তেমন একটা চিকিৎসার প্রয়োজন হয়না। চিকিৎসার ক্ষেত্রে জ্বরের জন্য প্যারাসিটামল, সাথে চুলকানি কমানোর জন্য এন্টি হিস্টামিন দেওয়া যেতে পারে, আর জ্বর না থেকে শুধু ব্যাথা থাকলেও প্যারাসিটামল বা আইবুপ্রোফেন দেওয়া যেতে পারে। সাথে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য সিভিট৷ জিংক ইত্যাদি দেওয়া যেতে পারে, তবে খেয়াল রাখতে হবে, বাচ্চা যেনো পর্যাপ্ত নিউট্রিশন পায়, কোনো ভাবে যেনো ডিহাইড্রেশন বা পানি শুণ্যতা না হয়, পানি শুণ্যতা দেখা দিলে হসপিটাল নিয়ে শিরাপথে স্যালাইন দিয়ে চিকিৎসা করতে হবে।
Md.Rafiqul Islam Lipu,Date:-18-09-2026,Thursday,Time:-08-12-2026.Am