Hello I'm Raiyyan Tahsan
Brand Model and Executive

TC(686).(12).ENT Disease Case No 43. কান পাকা (Chronic Suppurative Otitis Media)

কান পাকা (Chronic Suppurative Otitis Media)

Let’s start discussing about this this :-

Definition:-

সংজ্ঞা (Definition in Bangla):

“Chronic Suppurative Otitis Media (CSOM) হলো মধ্যকর্ণের একটি দীর্ঘমেয়াদী প্রদাহজনিত অবস্থা, যেখানে কানের পর্দায় (টিম্পানিক মেমব্রেন) ছিদ্র থেকে ক্রমাগত বা পুনঃপুনা পূজ নিঃসরণ ঘটে।”

এটি সাধারণত ৬ সপ্তাহের বেশি সময় ধরে থাকে এবং এটি শ্রবণ শক্তির হ্রাসের সাথেসম্পর্কিত হতে পারে।

Cause:-

Chronic Suppurative Otitis Media (CSOM) বা কান পাকার প্রধান কারণগুলো নিচে বাংলায় বিস্তারিতভাবে দেওয়া হলো:

CSOM-এর কারণসমূহ (Causes of Chronic Suppurative Otitis Media):

1. অনিয়ন্ত্রিত বা অপর্যাপ্তভাবে চিকিৎসা না করা তীব্র মধ্যকর্ণের সংক্রমণ (Acute Otitis Media)

যদি তীব্র কানের ইনফেকশন (AOM) সময়মতো ও সঠিকভাবে চিকিৎসা না করা হয়, তাহলে সেটি দীর্ঘস্থায়ী হয়ে CSOM-এ পরিণত হতে পারে।

2. বারবার সর্দি-কাশি বা শ্বাসনালীর সংক্রমণ

শিশুদের মধ্যে বারবার ঠান্ডা লাগা বা সাইনুসাইটিস হওয়ার ফলে ইউস্টেশিয়ান টিউব ব্লক হয়ে যায়, যা মধ্যকর্ণে তরল জমে পুঁজে পরিণত হয়।

3. ইউস্টেশিয়ান টিউবের কার্যকারিতার ব্যাঘাত

এই টিউবটি নাক ও গলার সাথে কানের সংযোগ তৈরি করে। এর কাজ ব্যাহত হলে মধ্যকর্ণে সঠিকভাবে বাতাস প্রবেশ করে না এবং তরল জমা হতে থাকে, যা ইনফেকশনের মাধ্যমে CSOM-এ রূপ নেয়।

4. অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও হাইজিনের অভাব

বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে বা ঘিঞ্জি এলাকায় শিশুরা সহজে সংক্রমণের শিকার হয়।

5. পুষ্টিহীনতা ও রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়া

অপুষ্ট শিশু ও দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার কারণে ইনফেকশন সহজে দীর্ঘস্থায়ী হয়।

6. নাক বা গলার সমস্যার কারণে

যেমন: অ্যাডিনয়েড হাইপারট্রফি (adenoid বড় হওয়া), টনসিল বড় হওয়া, বারবার গলার ইনফেকশন ইত্যাদি।

7. কানে পানি ঢোকা বা বারবার কানে আঘাত লাগা

সাঁতার কাটা বা ভুলভাবে কানে কিছু প্রবেশ করানোর ফলে কানের পর্দা ছিদ্র হয়ে সংক্রমণ ছড়াতে পারে।

8. চলস্টিয়েটোমা (Cholesteatoma)

এটি একটি অস্বাভাবিক ত্বকীয় কোষের বৃদ্ধি যা কানের ভেতরে জমে থেকে ইনফেকশন ঘটায় এবং CSOM-এর একটি জটিল ও বিপজ্জনক রূপে পরিণত হতে পারে।

—

সংক্ষেপে মনে রাখার কৌশল (Mnemonic: “INFECTION”):

I – Inadequate treatment of AOM

N – Nasopharyngeal infections

F – Foreign body or trauma

E – Eustachian tube dysfunction

C – Cholesteatoma

T – Tuberculosis or other chronic infections

I – Immune deficiency

O – Overcrowding, poor hygiene

N – Nutritional deficiency

—

Types of CSOM :-

CSOM-এর ধরণ (Types of Chronic Suppurative Otitis Media)

চিকিৎসাবিজ্ঞানে CSOM-কে প্রধানত ২টি ভাগে ভাগ করা হয়:

Safe Type (Tubotympanic Type)

সবচেয়ে সাধারণ ও তুলনামূলকভাবে কম ঝুঁকিপূর্ণ

ছিদ্র থাকে মধ্য পর্দার কেন্দ্রে (central perforation)

সাধারণত চলস্টিয়েটোমা থাকে না

শ্রবণশক্তি হ্রাস পেতে পারে, কিন্তু জীবনের ঝুঁকি কম

সঠিক চিকিৎসা দিলে সহজেই ভালো হয়

Unsafe Type (Atticoantral Type)

কমন নয় কিন্তু মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ

ছিদ্র থাকে উপরের দিকে (marginal বা attic perforation)

অনেক সময় চলস্টিয়েটোমা (Cholesteatoma) থাকে

সংক্রমণ হাড় গলিয়ে মস্তিষ্ক পর্যন্ত ছড়াতে পারে

দ্রুত ও সার্জিকাল চিকিৎসা না নিলে জটিলতা দেখা দিতে পারে

জীবনের ঝুঁকি পর্যন্ত হতে পারে (meningitis, brain abscess)

জটিলতা (Complications of CSOM):-

বিশেষ করে Unsafe type-এ

হাড় ক্ষয় (mastoiditis)

মস্তিষ্কে ইনফেকশন (meningitis, brain abscess)

শ্রবণশক্তি চিরতরে হারানো

ফেসিয়াল নার্ভ প্যারালাইসিস

Symptoms:-

নিচে Chronic Suppurative Otitis Media (CSOM) বা কান পাকা রোগের উপসর্গগুলো (Symptoms) বাংলায় বিস্তারিতভাবে দেওয়া হলো:

—

CSOM-এর উপসর্গসমূহ (Symptoms of Chronic Suppurative Otitis Media):

কান দিয়ে পূজ পড়া (Ear Discharge)

সবচেয়ে সাধারণ উপসর্গ

পুঁজ সাধারণত সাদা, হলুদ বা সবুজাভ হতে পারে

গন্ধযুক্ত বা দুর্গন্ধময় হয়

discharge হতে পারে নিয়মিত (continuous) অথবা থেমে থেমে (intermittent)

শ্রবণশক্তি হ্রাস (Hearing Loss)

বেশিরভাগ রোগীর conductive hearing loss হয়

শ্রবণশক্তির কমে যাওয়া ধীরে ধীরে ঘটে

দীর্ঘমেয়াদে untreated থাকলে চিরতরে শুনতে সমস্যা হতে পারে

কানে গুঞ্জন ধ্বনি বা শব্দ শোনা (Tinnitus)

অনেক সময় রোগীরা বলেন “ঘুঘু ডাকছে”, “সিটি বাজছে” বা “বীজপোকা” জাতীয় আওয়াজ শোনা যায়

এটা nerve বা middle ear problem এর ইঙ্গিত হতে পারে

কানে অস্বস্তি বা হালকা ব্যথা (Ear Discomfort / Mild Pain)

সাধারণত ব্যথা খুব বেশি থাকে না (তবে ইনফেকশন বেড়ে গেলে ব্যথা বাড়তে পারে)

মাঝে মাঝে চুলকানিও হয়

মাথা ভার বা ভারসাম্যহীনতা (Dizziness or Imbalance)

কানের গভীর অংশে সংক্রমণ ছড়ালে মাথা ঘোরা, ভরসা হারানো বা চলাফেরায় সমস্যা হতে পারে

জ্বর (Fever)

সাধারণত CSOM-এ জ্বর হয় না

তবে তীব্র সংক্রমণ বা জটিলতা দেখা দিলে জ্বর, শরীর দুর্বল ইত্যাদি দেখা যেতে পারে

কান থেকে রক্ত পড়া (Bleeding)

খুব বেশি ইনফেকশন বা চলস্টিয়েটোমা থাকলে কান দিয়ে রক্ত পড়তে পারে (বিশেষত unsafe type-এ)

চেহারার এক পাশ অবশ হওয়া (Facial Weakness or Paralysis)

একটি জটিলতা হিসেবে দেখা যায় (facial nerve involvement) – এটি জরুরি চিকিৎসার বিষয়

মনে রাখার কৌশল (Mnemonic: HEARING)

H – Hearing loss

E – Ear discharge

A – Ache (Mild pain or discomfort)

R – Ringing in ear (Tinnitus)

I – Imbalance or dizziness

N – Noisy smell (bad odor of discharge)

G – Growth (cholesteatoma or granulation)

—

বিশেষভাবে লক্ষণগুলো কাকে বোঝায় তা বুঝতে হবে:

লক্ষণ Safe Type, Unsafe Type

কানে পুঁজ সাধারণ, পরিষ্কার বা দুর্গন্ধময় ঘন, দুর্গন্ধময়, রক্তমিশ্রিত হতে পারে

ব্যথা সাধারণত কম বেশি বা তীব্র হতে পারে

শুনতে না পাওয়া মাঝারি বেশি ও চিরতরে হতে পারে

ভারসাম্যহীনতা সাধারণত না থাকে থাকতে পারে

চলস্টিয়েটোমা থাকে না থাকতে পারে (জরুরি অস্ত্রোপচার প্রয়োজন)

—

উপসংহার:

> “CSOM-এর উপসর্গগুলো প্রথমে সহজ মনে হলেও সময়মতো চিকিৎসা না করলে এটি শ্রবণশক্তি হ্রাস থেকে শুরু করে মারাত্মক জটিলতায় পরিণত হতে পারে।”

Clinical investigation diagnosis:-

Chronic Suppurative Otitis Media (CSOM) বা কান পাকা রোগ সঠিকভাবে নির্ণয় (diagnosis) করার জন্য কিছু ক্লিনিক্যাল পরীক্ষা ও ল্যাবরেটরি টেস্ট দরকার হয়। নিচে সেগুলো বিস্তারিতভাবে বাংলায় দেওয়া হলো:

—

CSOM নির্ণয়ের জন্য প্রয়োজনীয় পরীক্ষাসমূহ (Clinical & Laboratory Investigations for CSOM):

—

১. Otoscopy / Otomicroscopy (অটোস্কোপি / অটো-মাইক্রোস্কোপি)

এটি হল প্রধান ক্লিনিক্যাল পরীক্ষা, যেখানে বিশেষ আলো দিয়ে কানের পর্দা (tympanic membrane) দেখা হয়।

দেখা যায়:

কানের পর্দায় ছিদ্র আছে কি না

পুঁজ আছে কি না

চলস্টিয়েটোমা (cholesteatoma) আছে কি না

কানের অভ্যন্তরে granulation tissue আছে কি না

২. Pure Tone Audiometry (PTA) – শ্রবণশক্তি পরিক্ষা

এই পরীক্ষায় কানে কতটা শ্রবণশক্তি কমেছে তা নির্ণয় করা হয়।

এটি conductive, sensorineural, বা mixed hearing loss চিহ্নিত করতে সাহায্য করে।

—

৩. Tympanometry (ইমপিডেন্স অডিওমেট্রি)

এটি কানের পর্দা ও মধ্যকর্ণের চলাচলের উপর ভিত্তি করে কানের চাপ ও ফাংশন পরিমাপ করে।

ইউস্টেশিয়ান টিউব কাজ করছে কিনা তা বোঝা যায়।

—

৪. Ear Swab for Culture and Sensitivity (কান থেকে নিঃসরণ সংগ্রহ করে কালচার ও অ্যান্টিবায়োটিক সেন্সিটিভিটি পরীক্ষা)

কানে যেসব জীবাণু সংক্রমণ ঘটাচ্ছে সেগুলো শনাক্ত করার জন্য করা হয়।

এটি বলে দেয় কোন অ্যান্টিবায়োটিক কাজ করবে এবং কোনটি করবে না।

সাধারণত পাওয়া যায়:

Pseudomonas aeruginosa,

Staphylococcus aureus,

Proteus spp.

Klebsiella spp.

—

৫. Complete Blood Count (CBC)

সংক্রমণ থাকলে WBC (white blood cell count) বাড়ে।

Chronic infection থাকলেও কিছু পরিবর্তন দেখা যেতে পারে।

—

৬. ESR (Erythrocyte Sedimentation Rate)

এটি একটি সংক্রমণ বা প্রদাহের সাধারণ নির্দেশক।

CSOM দীর্ঘস্থায়ী সংক্রমণ হলে ESR বেড়ে যেতে পারে।

—

৭. CT Scan of Temporal Bone (বিশেষ করে Unsafe CSOM বা Cholesteatoma suspected হলে)

চলস্টিয়েটোমা ছড়িয়েছে কি না, হাড় গলিয়ে ফেলেছে কি না – তা দেখতে এই স্ক্যান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

Mastoid bone involvement বা intracranial complication দেখা যায়।

—

৮. X-ray Mastoid (Schüller’s view) (আগে বেশি ব্যবহৃত হতো, এখন কম)

কান পেছনের mastoid হাড়ে কোনো ক্ষয় বা abnormality আছে কি না বোঝা যায়।

—

৯. Other Relevant Tests (as needed):

Fasting blood sugar (যদি ডায়াবেটিস সন্দেহ থাকে)

HIV test (যদি রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হয়)

Mantoux Test বা Chest X-ray (যদি TB suspected হয়)

Treatment Management:-

নিচে Chronic Suppurative Otitis Media (CSOM) বা কান পাকা রোগের চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা (treatment management), ওষুধ (medications) এবং ফার্মাকোলজি (pharmacology) সহ বাংলায় বিস্তারিতভাবে উপস্থাপন করা হলো:

—

CSOM-এর চিকিৎসা ও ব্যবস্থাপনা (Treatment & Management of CSOM):

চিকিৎসা তিন ভাগে ভাগ করা যায়:

সাধারণ ব্যবস্থাপনা (General Management)

কান শুকনো রাখতে হবে (Dry Ear Policy)

কানে পানি ঢোকা বন্ধ করতে হবে (গোসলের সময় তুলা ব্যবহার)

কানের ভিতরের ময়লা বা পুঁজ সাকশন করে পরিষ্কার করতে হবে (Aural toilet)

নাক/গলার সমস্যা থাকলে সেটাও চিকিৎসা করতে হবে

—

২. ঔষধ ব্যবস্থাপনা (Medical Management)

A. Antibiotic Ear Drops (স্থানীয় প্রয়োগযোগ্য অ্যান্টিবায়োটিক)

কানের ইনফেকশনের বিরুদ্ধে কাজ করে

ব্যবহার ৭–১০ দিন পর্যন্ত, দিনে 2–3 বার

Generic Name Brand Example Pharmacology মন্তব্য

Ciprofloxacin 0.3% Ciprocin ear drop Fluoroquinolone; DNA-gyrase inhibitor Safe, widely used

Ofloxacin 0.3% Oflodex, Oflin Broad-spectrum fluoroquinolone Otitis externa/media

Gentamicin 0.3% Gentacyn Aminoglycoside; Protein synthesis inhibitor Avoid in tympanic perforation for ototoxicity risk

Note: কানের পর্দায় ছিদ্র থাকলে gentamicin বা neomycin সাবধানে ব্যবহার করতে হয়, কারণ এগুলো ototoxic (শ্রবণশক্তি ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে)।

—

B. Systemic Antibiotics (মৌখিক অ্যান্টিবায়োটিক)

তীব্র সংক্রমণ বা পুঁজ খুব বেশি থাকলে দেওয়া হয়

course: সাধারণত 5–7 দিন

Generic Name Brand Example Pharmacology

Amoxicillin + Clavulanic Acid Augmentin, Clavulin Beta-lactam + beta-lactamase inhibitor

Cefuroxime Ximecef, Cefotin 2nd gen cephalosporin

Cefixime Suprax, Cef-3 3rd gen cephalosporin

Azithromycin Azith, Zithrin Macrolide; long half-life

—

C. Anti-inflammatory & Pain Relief (বেদনানাশক ও প্রদাহ কমানোর ঔষধ)

কানে ব্যথা বা ফোলা থাকলে ব্যবহার হয়

Generic Name Brand Example Pharmacology

Paracetamol Napa, Ace Analgesic & antipyretic

Ibuprofen Nurofen, Brufen NSAID; anti-inflammatory

—

D. Nasal Decongestant Spray (নাক খোলার স্প্রে)

Eustachian tube-এর drainage ঠিক রাখতে সহায়ক

৩–৫ দিনের বেশি ব্যবহার করা যাবে না

Generic Name Brand Example Pharmacology

Xylometazoline Otrivin Alpha-adrenergic agonist

Oxymetazoline Dristan Nasal vasoconstrictor

—

৩. সার্জিকাল ব্যবস্থাপনা (Surgical Management)

নিচের ক্ষেত্রে অস্ত্রোপচার প্রয়োজন হতে পারে:

চলস্টিয়েটোমা (Cholesteatoma)

বারবার ইনফেকশন

শ্রবণশক্তি মারাত্মক হ্রাস

সার্জারির ধরন:

অস্ত্রোপচার ব্যাখ্যা

Myringoplasty কানের ছিদ্র বন্ধ করা হয়

Tympanoplasty কানের হাড় ও পর্দা ঠিক করা হয়

Mastoidectomy সংক্রমিত mastoid হাড় অপসারণ

Atticotomy Unsafe type-এ cholesteatoma দূর করা

—

Follow-up গুরুত্বপূর্ণ

কান শুকনা রাখতে হবে

সম্পূর্ণ course শেষ করতে হবে

শ্রবণশক্তি নিয়মিত পরীক্ষা করা উচিত

—

Bonus: মনে রাখার জন্য ওষুধের শ্রেণিবিন্যাস:

ধরন উদাহরণ (Generic)

কানের ড্রপ Ciprofloxacin, Ofloxacin

মৌখিক অ্যান্টিবায়োটিক Amoxicillin+Clavulanate, Cefixime

ব্যথার ঔষধ Paracetamol, Ibuprofen

নাকের স্প্রে Xylometazoline, Oxymetazoline

—

উপসংহার:

> “CSOM চিকিৎসায় মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ, শ্রবণশক্তি রক্ষা, ও জটিলতা প্রতিরোধ। সঠিক অ্যান্টিবায়োটিক, নিয়মিত কান পরিষ্কার এবং প্রয়োজনে অস্ত্রোপচার – এই তিনেই সুস্থতার চাবিকাঠি।”

Prevention:-

Chronic Suppurative Otitis Media (CSOM) বা কান পাকা রোগ থেকে প্রতিরোধ (Prevention) করা সম্ভব, যদি আমরা কিছু স্বাস্থ্যকর অভ্যাস ও সচেতনতা মেনে চলি।

নিচে CSOM প্রতিরোধের উপায়গুলো বাংলায় বিস্তারিতভাবে দেওয়া হলো:

—

CSOM প্রতিরোধের উপায় (Prevention of Chronic Suppurative Otitis Media):

—

1. ঠান্ডা-সর্দি থেকে বাঁচুন (Prevent Upper Respiratory Infections)

সর্দি-কাশি, সাইনাসের সংক্রমণ মাঝেমধ্যে কানে ছড়িয়ে পড়ে

নিয়মিত মাস্ক ব্যবহার, ধুলোবালি এড়ানো

গরম পানি দিয়ে গার্গল ও পর্যাপ্ত পানি পান

—

2. কানে পানি ঢোকা রোধ করুন (Avoid Water Entry into the Ear)

গোসলের সময় কানে তুলা বা কান রক্ষাকারী ব্যবহার করুন

সাঁতার কাটার সময় waterproof ear plug ব্যবহার করা ভালো

—

3. কানে কিছু ঢোকাবেন না (Don’t Insert Objects into the Ear)

কটন বাড, পিন, কাঠি দিয়ে কান খোঁচাবেন না

এতে কানের পর্দা ছিদ্র হয়ে সংক্রমণ ছড়াতে পারে

—

4. শিশুদের টিকা দিন (Immunization)

Pneumococcal, Hemophilus influenzae type B (Hib), ও Measles টিকা CSOM প্রতিরোধে সাহায্য করে

শিশুদের নিয়মিত ইপিআই (EPI) টিকা নিশ্চিত করুন

—

5. ঠিকমতো তীব্র কানের ইনফেকশনের চিকিৎসা করুন (Treat Acute Otitis Media Properly)

কানে ব্যথা বা হালকা ইনফেকশন হলে অ্যান্টিবায়োটিক ও ড্রপ সম্পূর্ণ কোর্সে নিন

অপূর্ণ চিকিৎসা করলে সেটি দীর্ঘস্থায়ী হয়ে CSOM-এ রূপ নিতে পারে

—

6. নাক-গলার রোগের চিকিৎসা করুন (Treat Nasal & Throat Conditions)

বড় অ্যাডিনয়েড, টনসিলাইটিস, ঘন ঘন গলার ইনফেকশন থাকলে ডাক্তারের পরামর্শ নিন

কারণ এ সমস্যাগুলো Eustachian tube ব্লক করে মধ্যকর্ণে সংক্রমণ ঘটায়

—

7. পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন জীবনযাপন (Maintain Good Hygiene)

নাক ঝাড়া, হাত ধোয়া ইত্যাদি শিশুদের শেখানো দরকার

পরিবেশের ধুলোবালি কমানো ও ঘরের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা

—

8. ধূমপান ও ধোঁয়ার সংস্পর্শ এড়ান (Avoid Smoke Exposure)

শিশুরা যদি পরোক্ষ ধূমপান (passive smoking) এর শিকার হয়, তবে কানের ইনফেকশনের ঝুঁকি বাড়ে

—

9. স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস (Healthy Nutrition)

অপুষ্টি রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়

পর্যাপ্ত ভিটামিন ও প্রোটিনযুক্ত খাবার শিশুদের শরীরকে ইনফেকশন থেকে রক্ষা করে

—

10. রোগের উপসর্গ শুরু হলে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নিন

প্রাথমিক অবস্থাতেই চিকিৎসা নিলে রোগটি ক্রনিক বা জটিল হতে পারে না

—

মনে রাখার কৌশল (Mnemonic: “EAR CARE”)

| E – Ear protection from water

| A – Avoid inserting objects

| R – Respiratory infection control

| C – Complete treatment of AOM

| A – Adequate nutrition

| R – Routine immunization

| E – Early consultation with doctor

—

সংক্ষিপ্ত তালিকা (Quick Summary Checklist):

কানে পানি ঢুকতে দেবেন না

ঠান্ডা-সর্দি হলে অবহেলা নয়

কটন বাড বা পিন দিয়ে কান খোঁচাবেন না

শিশুদের টিকা দিন

তীব্র ইনফেকশনের চিকিৎসা সম্পূর্ণ করুন

গলা-নাকের সমস্যা চিকিৎসা করান

পরিচ্ছন্নতা ও পুষ্টি নিশ্চিত করুন

ধূমপান এড়ান

কানের উপসর্গ শুরু হলে দেরি না করে চিকিৎসা নিন

—

উপসংহার:

> “সচেতনতা ও স্বাস্থ্যকর অভ্যাসই CSOM প্রতিরোধের সবচেয়ে বড় অস্ত্র। সময়মতো চিকিৎসা, টিকা ও কানে যত্ন নিলে কান পাকা রোগ এড়ানো সম্ভব।”

Demo Of Prescription:-

প্রেসক্রিপশন:-

রোগের নাম: Chronic Suppurative Otitis Media (CSOM)

রোগী: [Jebu]

বয়স: [30 বছর]

তারিখ: [28-07-2025]

—

রোগের উপসর্গ (Chief Complaints):

কানে পূজ পড়া (৩ সপ্তাহ ধরে)

শুনতে সমস্যা

মাঝে মাঝে মাথা ভার

দুর্গন্ধযুক্ত নিঃসরণ

—

পরীক্ষা (Investigations):

1. Otoscopic Examination

2. Pure Tone Audiometry (PTA)

3. Ear Swab for C/S

4. CBC, ESR

5. Tympanometry

6. CT Temporal Bone (যদি cholesteatoma সন্দেহ থাকে)

—

চিকিৎসা (Treatment):

কানের ড্রপ:

Ciprofloxacin 0.3% Ear Drop

➤ ২ ফোঁটা করে দিনে ৩ বার

➤ ব্যবহার করার আগে কান পরিষ্কার করুন (dry mopping)

অ্যান্টিবায়োটিক (মুখে খাওয়ার):

Amoxicillin + Clavulanic Acid (625 mg)

➤ দিনে ২ বার, ৭ দিন

➤ খাবারের পর

ব্যথানাশক:

Paracetamol 500 mg

➤ প্রয়োজনমতো দিনে ২–৩ বার

নাকের স্প্রে:

Xylometazoline Nasal Spray

➤ দিনে ২ বার, ৩–৫ দিনের বেশি নয়

➤ ব্যবহার শেষে মুখ খোলা রেখে নাক ঝাড়ুন

—

বিশেষ নির্দেশনা (Advice):

কানে পানি ঢুকতে দেবেন না (গোসলের সময় তুলা ব্যবহার করুন)

কানে কিছু প্রবেশ করাবেন না

পূর্ণ কোর্স শেষ করুন

সর্দি-কাশির চিকিৎসা নিন

শিশুদের টিকাদান সম্পন্ন করুন

—

Follow-up:

৭ দিনের মধ্যে রিপোর্টসহ আবার দেখাতে হবে

রিপোর্ট অনুযায়ী প্রয়োজনে অ্যান্টিবায়োটিক পরিবর্তন করা হবে

যদি discharge না কমে বা কান ফুলে যায়, CT Scan করে অস্ত্রোপচারের পরিকল্পনা করা হবে

Raiyyan Tahsan Date:-28-07-2025 Monday,Time:-04-22-45 Pm

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top