Hello I'm Raiyyan Tahsan
Brand Model and Executive

TC(610).(22).Oncology Case No 20.Melanoma

নীরব শত্রু, নিঃশব্দ মৃত্যু স্কিন ক্যান্সার Melanoma

তার নাম জাহানারা খাতুন। বয়স সবে 45বছর। জীবনের ব্যস্ত রুটিনে নিজের দিকে তাকানোর সময় তাঁর কখনোই হয়নি। কিন্তু কয়েক মাস ধরে পায়ের তলায় একটা ছোট্ট কালো দাগ…

প্রথমে তিনি ভেবেছিলেন এটা জুতা ঘষার ফল, হয়তো পুরনো ফাংগাল ইনফেকশন। কারণ, ব্যথা নেই,চুলকায় না, কোনো ফোঁড়া বা ঘা নেই শুধু একটা কালচে দাগ।কিন্তু সে দাগটা নিঃশব্দে নিজের স্থান বড় করছিল।ত্বকের রঙ গভীর হচ্ছিল, পৃষ্ঠ উঁচু হচ্ছিল, ছড়িয়ে পড়ছিল আশপাশে তখন কেউ বলেনি যে,দাগ মানেই তো ক্যান্সার না!বয়স বাড়লে এমন হয়ই।

তোমার দুশ্চিন্তা করার কিছু নেই।

এভাবেই ভুল ধারণা, সচেতনতার অভাব আর অবহেলা মিলে রোগটা নিজের গোড়া পুঁতে ফেলে।

আর তখনই Acral Lentiginous Melanoma (ALM) নিজের কাজ শুরু করে—নীরবে, ধীরে, নিশ্চিত এক সমাপ্তির দিকে।

বিজ্ঞানের চোখে Melanoma (ALM) এক ধরনের ত্বকের ক্যান্সার, যা সাধারণত গাঢ় ত্বকের মানুষের হাতের তালু, পায়ের তলা এবং নখের নিচে দেখা দেয়।

এটি গড়ে ওঠে melanocyte নামক কোষ থেকে, যেগুলো ত্বকের রঙ তৈরি করে। অন্যান্য Melanoma-র চেয়ে ভিন্ন, কারণ ALM সূর্যের আলো ছাড়াও হয়। তাই এটি অনেক সময় ধরা পড়ে দেরিতে, আর এটাই এর সবচেয়ে বিপজ্জনক দিক।

ALM-এর লক্ষণগুলো যেগুলো কেউ বোঝে না, তাই ভুল করে যায়

তালু বা পায়ের তলায় একটা ধীরে বাড়তে থাকা কালো/বাদামী দাগ

দাগটির সীমানা অস্পষ্ট, চেহারা অসম

রঙ হয়ত একরকম নয় একটু বাদামী, একটু ধূসর, কোথাও হয়ত নীলচে

নখের নিচে কালচে রেখা (যাকে বলে melanonychia)

কখনো রঙ নখের বাইরে ছড়িয়ে পড়ে (যাকে বলে Hutchinson’s sign)

এইসব লক্ষণ সাধারণত ব্যথাহীন, চুলকানিহীন কিন্তু মারাত্মক বিপদজনক

কেন ALM এত ধরা পড়ে দেরিতে?

সাধারণ মানুষ জানে না যে ত্বকের ক্যান্সার সূর্যের আলো ছাড়াও হয়

অনেকেই এটিকে মনে করে শুধু দাগ বা চর্মরোগ

ত্বকের গাঢ় রঙে দাগটা স্বাভাবিক বলে ভ্রম হয়

অনেক ক্ষেত্রে গ্রামীণ ডাক্তার/হেকিম ভুলভাবে এটিকে ঘষা, ইনফেকশন, ফাংগাল রোগ বলে ব্যাখ্যা করেন

চর্মরোগে লজ্জাবোধ বা ভয়—এটাও রোগীকে দেরি করায়

জাহানারার গল্প ALM-এর নির্মম বাস্তবতা

জাহানারার দাগটা ধীরে ধীরে ঘন কালো হয়ে উঠেছিল।

তারপর সেটি একটু উঁচু হয়ে বয়সের চিহ্ন মনে হচ্ছিল।

যখন তিনি ঢাকায় বড় হাসপাতালে এলেন, তখন মেলানোমা ছড়িয়ে গেছে।

মেটাস্টাসিস, অর্থাৎ ক্যান্সার শরীরের ভেতরে ছড়িয়ে গেছে—লিভার, ফুসফুসে, এমনকি হাড়েও।

মেয়ে বলল

মা আগেই যদি দেখাতে তাহলে হয়ত এমন হত না…

কিন্তু তখন সময় শেষ…

কিছুদিন পর এক সকালে সব শেষ।

Let’s know details information:-

Definition:-

মেলানোমা কি?

মেলানোমা হলো এক ধরনের ত্বকের ক্যান্সার, যা ত্বকে পিগমেন্ট তৈরি করা কোষ (মেলানোসাইট) থেকে উৎপন্ন হয়। এটি খুবই আগ্রাসী ক্যান্সার, যা প্রথমে ত্বকের উপরে তৈরি হয়, কিন্তু পরে শরীরের অন্যান্য অংশে ছড়িয়ে পড়তে পারে।

করণ (Cause):-

মেলানোমার কিছু প্রধান কারণ হলো:

1. অতিরিক্ত UV রশ্মির সংস্পর্শ (Ultraviolet radiation):

সূর্যের রশ্মি, সোলারিয়াম বা কৃত্রিম UV লাইট থেকে UV রশ্মির অতিরিক্ত সংস্পর্শ মেলানোমা হওয়ার মূল কারণ।

2. ফেয়ার স্কিন এবং হালকা চোখ:

যারা গা dark ় ত্বক, হালকা চোখ এবং সাদা ত্বক নিয়ে জন্মগ্রহণ করেন, তাদের মেলানোমা হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে।

3. পারিবারিক ইতিহাস:

যদি আপনার পরিবারে মেলানোমা বা ত্বকের ক্যান্সারের ইতিহাস থাকে, তবে আপনারও এটি হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

4. জেনেটিক মিউটেশন (Genetic mutation):

কিছু বিশেষ জেনেটিক পরিবর্তন (যেমন, BRCA mutation) মেলানোমার ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।

5. মোল বা ত্বকের দাগ পরিবর্তন:

যে মোল বা ত্বকের দাগ সময়ের সাথে বড় হতে শুরু করে বা রঙ পরিবর্তন হয়, সেটা মেলানোমা হতে পারে।

লক্ষণ (Symptoms):

মেলানোমার প্রধান লক্ষণ গুলি ত্বকে দেখা যায় এবং কিছু সাধারণ লক্ষণ হলো:

1. নতুন বা পরিবর্তিত মোল (New or Changing Mole):

একটি নতুন মোল তৈরি হতে পারে বা পুরোনো মোলের আকার, আকার বা রঙ পরিবর্তিত হতে পারে।

2. অসামান্যতা (Asymmetry):

মোলের এক দিক অন্য দিকের তুলনায় ভিন্ন হয়।

3. অসামঞ্জস্যপূর্ণ সীমানা (Irregular Borders):

মোলের সীমানা অস্পষ্ট বা অস্থির হয়ে যায়।

4. বিভিন্ন রঙ (Multiple Colors):

মোলের মধ্যে বিভিন্ন রঙ দেখা যায়, যেমন কালো, লাল, সাদা, হলুদ, বা নীল।

5. আকার (Size):

মোলের আকার ৬ মিলিমিটার বা তার বেশি হয়ে থাকে, বা বয়সের সাথে সাথে এটি বড় হতে থাকে।

6. রক্তপাত বা চুলকানি (Bleeding or Itching):

মোল থেকে রক্ত পড়তে পারে বা এটি চুলকায় বা ব্যথা হতে পারে।

7. ব্যথা (Pain):

মোলের আশপাশে ব্যথা অনুভূত হতে পারে।

Clinical investigation diagnosis:-

ক্লিনিকাল পরীক্ষা (Laboratory Tests):

মেলানোমা নির্ণয় করতে কিছু পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়। সাধারণ পরীক্ষা গুলি হলো:

1. স্কিন বায়োপসি (Skin Biopsy):

মেলানোমা নিশ্চিত করতে ত্বক থেকে একটি নমুনা নিয়ে পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়।

2. ইমেজিং পরীক্ষা (Imaging Tests):

CT স্ক্যান বা MRI স্ক্যান মেলানোমার ছড়িয়ে পড়া (মেটাস্ট্যাসিস) দেখা জন্য করা হয়।

লিম্ফ নোড বায়োপসি (Lymph Node Biopsy): ক্যান্সার যদি লিম্ফ নোডে ছড়িয়ে পড়ে, তবে তা পরীক্ষা করা হয়।

3. সেন্টিনেল লিম্ফ নোড বায়োপসি (Sentinel Lymph Node Biopsy):

মেলানোমা কোথায় ছড়িয়েছে তা দেখতে এই পরীক্ষাটি করা হয়।

4. ব্লাড টেস্ট (Blood Tests):

রক্তের কিছু বিশেষ মার্কার, যেমন LDH লেভেল পরীক্ষা করা হয়।

5. জেনেটিক টেস্টিং (Genetic Testing):

যদি মেলানোমা জেনেটিক কারণে হয়ে থাকে, তবে কিছু বিশেষ জেনেটিক মিউটেশন পরীক্ষা করা হয় (যেমন BRAF mutation), যা চিকিৎসার সিদ্ধান্ত গ্রহণে সাহায্য করে।

Treatment management:-

মেলানোমা চিকিৎসা ও ব্যবস্থাপনা:

মেলানোমার চিকিৎসা রোগটির স্তর, অবস্থান এবং এটি অন্যান্য অংশে ছড়িয়ে পড়েছে কিনা তার উপর নির্ভর করে। চিকিৎসায় সাধারণত সার্জারি, ওষুধ, এবং কখনও কখনও রেডিয়েশন থেরাপি ব্যবহার করা হয়। নিচে ফার্মাকোলজিক্যাল চিকিৎসা এবং অন্যান্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

১. সার্জারি (Surgery):

টিউমার অপসারণ: প্রাথমিক পর্যায়ে মেলানোমা সাধারণত ত্বক থেকে অপসারণ করা হয় এবং আশপাশের কিছু সুস্থ টিস্যু একসাথে কেটে ফেলা হয়।

লিম্ফ নোড ডিসেকশন: যদি মেলানোমা নিকটবর্তী লিম্ফ নোডে ছড়িয়ে পড়ে, তবে সেগুলি অপসারণ করা হতে পারে।

২. ফার্মাকোলজিক্যাল চিকিৎসা:

এ) ইমিউনোথেরাপি (Immunotherapy):

ইমিউনোথেরাপি মেলানোমার চিকিৎসায় একটি বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে, বিশেষত উন্নত পর্যায়ের ক্ষেত্রে। এটি শরীরের ইমিউন সিস্টেমকে ক্যান্সার কোষগুলো শনাক্ত করতে এবং আক্রমণ করতে সাহায্য করে।

চেকপয়েন্ট ইনহিবিটরস (Checkpoint Inhibitors):

পেমব্রোলিজুমাব (Keytruda): এটি একটি মনোক্লোনাল অ্যান্টিবডি, যা PD-1 ব্লক করে, একটি প্রোটিন যা ক্যান্সার কোষরা ইমিউন সিস্টেমের থেকে লুকিয়ে থাকে।

নিভোলুম্যাব (Opdivo): আরেকটি PD-1 ইনহিবিটর, যা শরীরের ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী করে মেলানোমা কোষগুলো আক্রমণ করতে।

ইপিলিমুম্যাব (Yervoy): এটি CTLA-4 ইনহিবিটর, যা ইমিউন সিস্টেমকে সক্রিয় করে মেলানোমা কোষগুলো আক্রমণ করতে।

বি) টার্গেটেড থেরাপি (Targeted Therapy):

BRAF ইনহিবিটরস: যদি মেলানোমায় BRAF জেনেটিক মিউটেশন থাকে (যা প্রায় ৫০% মেলানোমায় পাওয়া যায়), তবে টার্গেটেড ওষুধে এই মিউটেটেড প্রোটিনের কার্যক্রম থামানো যায়।

ভেমুরাফেনিব (Zelboraf): এটি একটি BRAF ইনহিবিটর যা BRAF V600E মিউটেশন সহ মেলানোমা চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।

ডাব্রাফেনিব (Tafinlar): আরেকটি BRAF ইনহিবিটর যা ভেমুরাফেনিবের মতো কাজ করে।

MEK ইনহিবিটরস (MEK Inhibitors):

ট্রামেটিনিব (Mekinist): একটি MEK ইনহিবিটর যা BRAF ইনহিবিটরের সাথে মিলিয়ে মেলানোমা চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।

সি) কেমোথেরাপি (Chemotherapy):

কেমোথেরাপি পূর্বে মেলানোমার চিকিৎসায় ব্যবহৃত হলেও, এখন এটি কম ব্যবহার হয় কারণ অন্যান্য নতুন থেরাপি বেশি কার্যকরী। তবে কিছু ক্ষেত্রে কেমোথেরাপি এখনও প্রয়োজন হতে পারে:

ডাকারবাজিন (DTIC): এটি একটি প্রচলিত কেমোথেরাপি ওষুধ যা উন্নত স্তরের মেলানোমার জন্য ব্যবহার হয়।

সিসপ্লাটিন (Cisplatin): কিছু ক্ষেত্রে অন্য ওষুধের সাথে মিলিয়ে মেটাস্ট্যাটিক মেলানোমার জন্য ব্যবহৃত হয়।

ডি) সাইটোকাইন থেরাপি (Cytokine Therapy):

ইন্টারলিউকিন-২ (IL-2): এটি ইমিউন সিস্টেমের কোষগুলোকে বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে, তবে এর সাথে উচ্চ মাত্রার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থাকতে পারে।

ইন্টারফেরন-আলফা (Interferon-alpha): এটি ইমিউন সিস্টেমকে উদ্দীপ্ত করে, তবে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বেশি হতে পারে।

৩. রেডিয়েশন থেরাপি (Radiation Therapy):

রেডিয়েশন থেরাপি সাধারণত মেলানোমা যদি মস্তিষ্কে ছড়িয়ে পড়ে বা যেসব টিউমার সম্পূর্ণ অপসারণ করা সম্ভব নয়, সেখানে ব্যবহার করা হয়।

এটি প্যালিয়েটিভ থেরাপি হিসেবেও ব্যবহৃত হয়, যাতে উন্নত মেলানোমা রোগীদের ব্যথা বা অন্যান্য উপসর্গ কমানো যায়।

৪. অ্যাডজুভেন্ট এবং নিয়োঅ্যাডজুভেন্ট থেরাপি (Adjuvant and Neoadjuvant Therapy):

অ্যাডজুভেন্ট থেরাপি (Adjuvant Therapy): এটি সার্জারির পরে দেওয়া হয় যাতে মেলানোমা ফেরত না আসে। এতে ইমিউনোথেরাপি, টার্গেটেড থেরাপি, বা কখনও কখনও রেডিয়েশন থেরাপি অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।

নিয়োঅ্যাডজুভেন্ট থেরাপি (Neoadjuvant Therapy): সার্জারির আগে চিকিৎসা দেওয়া হয় যাতে টিউমার ছোট হয়ে গিয়ে অপসারণ সহজ হয়।

৫. প্যালিয়েটিভ কেয়ার (Palliative Care):

উন্নত মেলানোমার ক্ষেত্রে যেখানে চিকিৎসা আর কার্যকরী নয়, প্যালিয়েটিভ কেয়ারের গুরুত্ব অনেক। এতে ব্যথা কমানো, উপসর্গের চিকিত্সা এবং মানসিক সমর্থন দেওয়া হয় যাতে রোগীর জীবনমান উন্নত হয়।

সহায়ক ওষুধ:

ব্যথা ব্যবস্থাপনা: ব্যথা কমানোর জন্য NSAIDs, অপিওডস বা অন্যান্য অ্যানালজেসিক ব্যবহার করা হয়।

এন্টি-এমেটিকস: চিকিৎসার কারণে বমি বা মস্তিষ্কে অবসাদ হলে ওষুধ যেমন, অনড্যানসেট্রন (Zofran) বা মেটোক্লোপ্রামাইড ব্যবহার করা হয়।

অ্যান্টিবায়োটিকস এবং অ্যান্টিফাঙ্গালস: অপারেশন বা ইমিউনোথেরাপির কারণে সংক্রমণ এড়াতে ব্যবহৃত হয়।

ফার্মাকোলজিক্যাল ওষুধের সারাংশ:

ইমিউনোথেরাপি ওষুধ:

পেমব্রোলিজুমাব (Keytruda)

নিভোলুম্যাব (Opdivo)

ইপিলিমুম্যাব (Yervoy)

টার্গেটেড থেরাপি ওষুধ:

ভেমুরাফেনিব (Zelboraf)

ডাব্রাফেনিব (Tafinlar)

ট্রামেটিনিব (Mekinist)

কেমোথেরাপি ওষুধ:

ডাকারবাজিন (DTIC)

সিসপ্লাটিন (Cisplatin)

সাইটোকাইন থেরাপি:

ইন্টারলিউকিন-২ (IL-2)

ইন্টারফেরন-আলফা

সহায়ক ওষুধ:

ব্যথানাশক (NSAIDs, অপিওডস)

এন্টি-এমেটিকস (অনড্যানসেট্রন)

অ্যান্টিবায়োটিকস/অ্যান্টিফাঙ্গালস

উপসংহার:

মেলানোমার চিকিৎসায় ইমিউনোথেরাপি এবং টার্গেটেড থেরাপি অনেক উন্নত করেছে। প্রাথমিক স্তরের মেলানোমা সাধারণত সার্জারি দিয়ে নিরাময় করা সম্ভব, তবে উন্নত স্তরের ক্ষেত্রে ইমিউনোথেরাপি, টার্গেটেড থেরাপি এবং কেমোথেরাপি একত্রিতভাবে ব্যবহৃত হতে পারে। চিকিৎসা প্রতিটি রোগীর মেলানোমার ধরন ও জেনেটিক প্রোফাইল অনুসারে কাস্টমাইজ করা উচিত।

Raiyyan Tahsan Date:-10-07-2025 Thursday Time:-10-57-25 Pm

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top