Hello I'm Raiyyan Tahsan
Brand Model and Executive

TC(555).(45).Rectal and Colorectal Disease Case No 04. Piles

পাইলস (Hemorrhoids) :
পাইলস হলো মলদ্বারের আশপাশে থাকা রক্তনালীসমূহের ফুলে ওঠা বা স্ফীত হওয়া। এটি সাধারণত মলদ্বারে ব্যথা, রক্তপাত বা অস্বস্তি সৃষ্টি করে।

পাইলসের কারণ:

১. অতিরিক্ত চাপ – দীর্ঘ সময় ধরে বসে থাকা, কোষ্ঠকাঠিন্য বা ডায়রিয়া, গর্ভাবস্থা, বা অধিক ওজনের কারণে মলদ্বারে চাপ সৃষ্টি হতে পারে।
২. জেনেটিক – পারিবারিক ইতিহাস থাকলে পাইলস হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।
৩. অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস – ফাইবারের অভাব, অতিরিক্ত তেল বা মসলাযুক্ত খাবার খাওয়া, পানি কম খাওয়া।
৪. বয়স – বয়স বাড়ার সাথে সাথে মলদ্বারের রক্তনালীতে সমস্যা হতে পারে।

পাইলসের লক্ষণসমূহ:

১. মলদ্বারে ব্যথা বা অস্বস্তি – বিশেষ করে মলত্যাগের সময়।
২. রক্তপাত – মলত্যাগের সময় মলদ্বারের আশপাশ থেকে রক্ত পড়তে পারে।
৩. মলদ্বারে গাঁট বা মাংসপিণ্ডের মতো অনুভূতি – ফুলে ওঠা গাঁটের মতো কিছু অনুভূত হতে পারে।
৪. যন্ত্রণা বা চুলকানি – মলদ্বারে চুলকানি বা তীব্র যন্ত্রণা অনুভূত হতে পারে।

ক্লিনিকাল তদন্ত:

১. শারীরিক পরীক্ষা – চিকিৎসক মলদ্বারের আশপাশ পরীক্ষা করতে পারেন।
২. আনোসকপি – মলদ্বারের ভিতরের অংশ পরীক্ষা করার জন্য একটি বিশেষ যন্ত্র ব্যবহার করা হয়।
৩. সিগময়েডোস্কপি বা কলোনোস্কপি – যদি রক্তপাত গুরুতর হয়, তবে আরও গভীর পরীক্ষা করা হতে পারে।

পাইলসের প্রতিরোধ:

১. ফাইবারযুক্ত খাবার খাওয়া – ফল, শাকসবজি, এবং শস্যদানাযুক্ত খাবার খাওয়া উচিত।
২. প্রচুর পানি পান করা – দেহে পানি কম হলে কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে, তাই পর্যাপ্ত পানি পান করা জরুরি।
৩. বেশি সময় বসে না থাকা – দীর্ঘ সময় একে অপরের উপর বসে থাকা পরিহার করা উচিত।
৪. নিয়মিত ব্যায়াম – নিয়মিত হাঁটা বা অন্যান্য শারীরিক কার্যকলাপ করা পাইলস প্রতিরোধে সাহায্য করে।

পরামর্শ:

১. কোষ্ঠকাঠিন্য এড়ানো – পাইলস হওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ কোষ্ঠকাঠিন্য।
২. স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া – খাওয়ার মধ্যে ফাইবার থাকলে পাচনতন্ত্র ভালো থাকবে এবং মলদ্বারের ওপর চাপ কমবে।
৩. সঠিক পজিশনে বসে মলত্যাগ করা – মলত্যাগ করার সময় সঠিক পজিশন বজায় রাখা উচিত।

চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা (ফার্মাকোলজি):

এন্টিহেমোরয়েডাল ক্রিমস এবং পাউডার:
১. হাইড্রোকোরটিসন ক্রিম (Hydrocortisone Cream) – এটি প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে।
২. বিসাকডিল সাপোজিটরি (Bisacodyl Suppository) – এটি কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে।
৩. ক্যালামাইন লোশন (Calamine Lotion) – চুলকানি কমাতে সহায়ক।

জেনেরিক নাম এবং ব্র্যান্ড:
১. এনালগেসিক ওষুধ:

  • পারাসিটামল (Paracetamol) – ব্র্যান্ড: Panadol, Calpol।
  • আইবুপ্রোফেন (Ibuprofen) – ব্র্যান্ড: Advil, Brufen।

২. প্রবাহ কমানোর জন্য অ্যান্টিহেমোরয়েড ক্রিম:

  • নোশেম (Noshame) – ব্র্যান্ড: NoShame Cream।
  • নিউজ্যাম্প্রোজ (Neosamproj) – ব্র্যান্ড: Neosamproj Ointment।

৩. কোষ্ঠকাঠিন্য দূরীকরণের জন্য:

  • পাইলোক্যাম (Pilocam) – ব্র্যান্ড: Pilocam Tablets।
  • ডুপল্যাক্স (Duphalac) – ব্র্যান্ড: Duphalac Syrup।

Anti-Hemorrhoidal Creams and Powders:

  1. Hydrocortisone Cream
    1. Brand Names in Bangladesh:
      1. Hydrocortisone Cream (Generic)
      1. Cortisol Cream
      1. Hytone Cream
  2. Bisacodyl Suppository
    1. Brand Names in Bangladesh:
      1. Dulcolax Suppository
      1. Biscolex Suppository
  3. Calamine Lotion
    1. Brand Names in Bangladesh:
      1. Caladryl Lotion
      1. Calamine Lotion (Generic)
      1. Calmonate Lotion

Analgesic Medicines:

  1. Paracetamol
    1. Brand Names in Bangladesh:
      1. Panadol
      1. Calpol
      1. Dolo
      1. Efferalgan
      1. Acemol
  2. Ibuprofen
    1. Brand Names in Bangladesh:
      1. Advil
      1. Brufen
      1. Ibugesic
      1. Ibupain

Anti-Hemorrhoidal Creams:

  1. Noshame Cream
    1. Brand Names in Bangladesh:
      1. Noshame Cream (Generic name)
  2. Neosamproj Ointment
    1. Brand Names in Bangladesh:
      1. Neosamproj Ointment (Generic name)

Constipation Relief:

  1. Pilocam Tablets
    1. Brand Names in Bangladesh:
      1. Pilocam Tablets (Generic name)
    1. Tablet 1.Pilocell 500 mg As a Arshahara Bati As a Herbal and Nutraceuticals.
  2. Duphalac Syrup
    1. Brand Names in Bangladesh:
      1. Duphalac Syrup
      1. Lactulose (Generic)
  •  

চিকিৎসার অন্যান্য পদ্ধতি:
১. লিগেশন – মলদ্বারের ফুলে ওঠা অংশে রাবার ব্যান্ড বেঁধে দেওয়া হয়, যা ধীরে ধীরে শুকিয়ে যায়।
২. স্কেলপিক অপারেশন – যদি পাইলস খুব গুরুতর হয়, তবে অস্ত্রোপচার করা হতে পারে।

এখানে পাইলস সম্পর্কিত একটি পূর্ণাঙ্গ তথ্য দেওয়া হলো। যদি আরও বিস্তারিত বা নির্দিষ্ট কোনো ওষুধ বা চিকিৎসা বিষয়ে জানার প্রয়োজন হয়, তবে জানাবেন।

ঘরোয়া পদ্ধতিতে পাইলস/অর্শ রোগের ব্যথা কমানোর ৪টি উপায় নিচে তুলে ধরা হলো—

পাইলস রোগে সাধারণত তীব্র ব্যথা হয় না। ব্যাথার সাথে অস্বস্তি বেশি থাকে।

১. ব্যথার জায়গাটি কুসুম গরম পানিতে ভিজিয়ে রাখা যায়। ছোট বাচ্চাদের গোসল করানো হয় এমন আকারের একটি বোলে কুসুম গরম পানি নিয়ে সেখানে বসতে পারেন। দিনে ৩ বার পর্যন্ত এটি করা যায়।

২. একটা প্যাকেটে কিছু বরফ নিয়ে সেটা তোয়ালে দিয়ে পেঁচিয়ে পায়ুপথে গোটাগুলোর ওপরে লাগানো যায়। এতে আরাম পাওয়া যাবে।

৩. বিছানায় শুয়ে পা উঁচু করে রাখলে পাইলস এর গোটাগুলোতে রক্ত চলাচল সহজ হবে ও ব্যথা উপশম হবে। শোবার সময় পায়ের নিচে বালিশ দিতে পারেন। এছাড়া খাটের পায়ার নিচে কোন কিছু দিয়ে খাটের এক পাশ উঁচু করে সেদিকে পা দেওয়া যেতে পারে।

৪. পায়ুপথ সবসময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও শুকনো রাখতে হবে। মলত্যাগের পর জোরে ঘষাঘষি না করে আলতোভাবে জায়গাটি পরিষ্কার করে নিতে হবে। টয়লেট পেপার হালকা ভিজিয়ে তারপর সেটা দিয়ে মুছতে পারেন।

যেসব ব্যথানাশক ঔষধ ব্যবহার করা যাবে না-

ট্রামাডল: এই ঔষধের একটি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হচ্ছে কোষ্ঠকাঠিন্য, তাই অর্শ রোগের জন্য এটি খাওয়া যাবেনা। প্যারাসিটামল ও ট্রামাডল একত্রে আছে এমন ব্যথানাশকও এড়িয়ে চলতে হবে।

আইবুপ্রোফেন: এটি রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বাড়ায়। তাই আপনার পায়ুপথে ব্যথার সাথে রক্ত গেলে এটি খাওয়া যাবেনা।

বিঃদঃ পাইলস্ কিনা, সেটা অবশ্যই ডাক্তারের কাছ থেকে নিশ্চিত হবেন। বেশি ব্যাথা বা রক্ত গেলে সাথে সাথে ডাক্তারের পরামর্শ নিবেন।।

Raiyyan Tahsan. Date:- 25-06- 2025 Wednesday Time:-08-47-45 Pm

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top