১. বিটা ব্লকার্সের মধ্যে ব্লাড প্রেশার কমানোর সক্ষমতা সবচেয়ে বেশি কার্ভিডিলল এবং নেবিভললের।
২. এই গ্রুপের ওষুধের মধ্যে হার্ট রেট নিয়ন্ত্রণের সক্ষমতা সর্বাধিক বিসোপ্রলল এবং মেটোপ্রললের।
৩. সবচেয়ে বেশি বিটা-ওয়ান সিলেক্টিভ নেবিভলল। তাই ব্রঙ্কিয়াল এজমা ও সিওপিডি রোগীদের ক্ষেত্রে সবচেয়ে উপযোগী বিটা ব্লকার নেবিভলল।
৪. বিটা ব্লকারের একটি কমন সাইড ইফেক্ট ইরেক্টাইল ডিজফাংশন। এই সাইড ইফেক্টটি সবচেয়ে কম নেবিভললের।
৫. সব বিটা ব্লকারই হাই ডেনসিটি লাইপোপ্রোটিন (HDL) কমাতে পারে। ব্যতিক্রম কার্ভিডিলল।
৬. সব বিটা ব্লকারই রক্তে ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে (হাইপারট্রাইগ্লিসারাইডেমিয়া)। ব্যতিক্রম কার্ভিডিলল।
৭ রেনাল ফেইলিওরের জন্য যারা ডায়ালাইসিস পাচ্ছে তাদের মধ্যে যাদের একই সঙ্গে হার্ট ফেইলিওরও আছে তাদের জন্য পছন্দের বিটা ব্লকার হলো কার্ভিডিলল।
৮. হার্ট ফেইলিওরের রোগী যাদের ইজেকশান ফ্র্যাকশান ৪০% বা তার কম (HFrEF), তাদের ক্ষেত্রে কার্ভিডিললের টার্গেট ডোজ ২৫ মিলিগ্রাম করে দুবেলা। এক্ষেত্রে ওজন ৮৫ কেজির বেশি হলে ৫০ মিলিগ্রাম করে দুবেলা।
৯. অ্যাট্রিয়াল ফিব্রিলেশানের রোগীদের ক্ষেত্রে রেস্টে তো বটেই এক্সারসাইজের সময়েও বিটা ব্লকার হার্ট রেট নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে। অন্যদিকে ডিগক্সিন শুধু রেস্টের সময়েই হার্ট রেট নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে।
১০. বিটা ব্লকারকে এন্টিহাইপারটেন্সিভ হিসেবে রাখা হয় ৫ম পছন্দে। তবে কিছুক্ষেত্রে ব্যতিক্রম। যেমন : প্রেগন্যান্সি, অ্যারিদমিয়া (এট্রিয়াল ফিব্রিলেশান), এনজাইনা, হার্ট ফেইলিওর ও মাইগ্রেন। এসবক্ষেত্রে বিটা ব্লকার প্রথম পছন্দের এন্টিহাইপারটেন্সিভ হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে।
Raiyyan Tahsan Date:-21 05-2025 Wednesday Time:-04-42-45 Pm