Hello I'm Raiyyan Tahsan
Brand Model and Executive

Oncology Case No 1.Excessive taking salt.

ক্যান্সার আল্লাহ পাকের একটা পরীক্ষা৷ ক্যান্সার এমন একটা রোগ, যা মানুষ কে মৃত্যুর দিকে নিয়ে যায়, কিন্ত অবাক করার মত বিষয় হচ্ছে এত বড়ো রোগ হওয়া সত্ত্বেও সে early stage e কোনো উপসর্গ প্রকাশ করেনা, silent থাকে, এবং নিজেকে শক্তিশালী করতে থাকে, যখন উপসর্গ দেখা দেয়, তখন সে অনেক শক্তিশালী, তবে উপসর্গ খুবই স্বাভাবিক, হয়তো এনিমিয়া কিংবা গ্যাস্ট্রিক ক্যানসার হলে dyspepsia তথা খাবারের পর অস্বস্তি বোধ করা,

তাই একটা ক্যান্সার বড়ো হয়ে গেলেও উপসর্গটা তুলনামূলক ছোটই থাকে, এইভাবে ছোট উপসর্গের দিকে কেউ নজর দেয়না, আরো কয়েক মাস চলে যায়, এতে করে সে তার পিক লেভেলে যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নেয়, যখন ক্যান্সার তার পিক লেভেলে যায়, তখন সিভিয়ার উপসর্গ দেখা দেয়, তখন ক্যান্সার ধরা পড়ে, তখন final stage, কিছুই করার থাকেনা তখন,হয়তো সার্জারী /কেমো / প্যালিয়াটিভ দিয়ে কিছুদিন survive করা যায়, বাকি সব শেষ হয় যায়, এইটাই জীবন

আজ গ্যাস্ট্রিক ক্যান্সার এর কয়েকটা রিস্ক ফ্যাক্টর নিয়ে কথা বলবো….

গ্যাস্ট্রিক ক্যান্সার এর অনেক কারণ আছে, আজ আমরা খুবই কমন ৪ টা কারণ জানবো, যেটা নিয়ে আমরা কখনো ভাবিনা যে, এতে ক্যান্সার হতে পারে.

১.. খাবারে অধিকহারে লবন খাওয়া,

আমরা জানতাম, এইটা হাইপারটেনশনের কারণ, তবে এইটা হাইপারটেনশনের চেয়েও বেশি ক্যান্সারের ঝুকি বাড়ায়.

২.. লবনে পিজার্ভ করা খাবার, যেমন ইলিশ মাছ, শুটকি,, এক দুই দিন খাইলে কোনো সমস্যা নাই, তবে লাগাতার শুটকি খাওয়া ক্যান্সার করে দিতে পারে।

৩.. টক ফলমূল না খাওয়া, কারণ ভিটামিন সি সাপ্লিমেন্টারীর অভাবে গ্যাস্ট্রিক ক্যান্সার হতে পারে।

৪.৷ স্মোকিং এবং pernicious anaemia ক্যান্সার এর ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।

Raiyyan Tahsan Date:19-12-2024 Thursday time:-6.27.30pm

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top