৭ মাস থেকে ৫ বছরের বাচ্চাদের দুপুরের খাবার মেনু কেমন হওয়া উচিত
১. ৭ – ৮ মাস (প্রথম শক্ত খাবার ও ম্যাশড ফুড)
এই বয়সে খাবার হবে নরম, সুপাচ্য এবং মৃদু স্বাদের। নতুন খাবার ১-২ চামচ দিয়ে শুরু করে আস্তে আস্তে বাড়াতে হবে।
মেনু পছন্দ ১: চাল, মসুর ডাল, পেঁপে, গাজর ও সামান্য ঘি দিয়ে তৈরি পাতলা সুস্বাদু খিচুড়ি।
মেনু পছন্দ ২: সিদ্ধ চাল ও মিষ্টি কুমড়া সুন্দর করে চটকে (ম্যাশ করে) সামান্য সয়াবিন বা সরিষার তেল বা ঘি মিশিয়ে দেওয়া।
২. ৯ – ১১ মাস (দানাদার ও ফিংগার ফুড)
শিশু এখন সামান্য কামড়ে খেতে শেখে। খাবার ব্লেন্ড বা একদম পিষে না দিয়ে চামচ বা হাত দিয়ে হালকা চটকে দিন।
মেনু পছন্দ ১: চাল, ডাল, আলু, যেকোনো সবুজ শাক বা সবজি এবং ছোট টুকরো করা সিদ্ধ মুরগির মাংস বা ডিমের কুসুম দিয়ে তৈরি নরম খিচুড়ি।
মেনু পছন্দ ২: নরম হাত-ভাঙা ভাত, ডাল, ভালোভাবে চটকানো সিদ্ধ মাছ (কাঁটা একদম বেছে ফেলা) এবং সিদ্ধ সবজি (যেমন: লাউ বা জুকিনি)।
৩. ১ – ২ বছর (পারিবারিক সাধারণ খাবার)
১ বছর পার হলে শিশু পরিবারের সাধারণ শক্ত খাবার খাওয়া শুরু করতে পারে। মসলা হালকা রেখে পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিত করুন।
মেনু পছন্দ ১: নরম ভাত, পাতলা মসুর বা মুগ ডাল, রুই/কাতলা/যেকোনো নরম কাঁচাকাঁটা ছাড়া মাছের ঝুল এবং সবজি ভাজি বা তরকারি (যেমন: পটোল, পেঁপে বা গাজর)।
মেনু পছন্দ ২: চাল-ডাল-সবজি খিচুড়ির সাথে একটি সিদ্ধ বা হালকা ভাজা ডিম।
৪. ৩ – ৫ বছর (প্রাক-বিদ্যালয়গামী শিশু)
এই বয়সের শিশুরা প্লে-স্কুল বা স্কুলে যাওয়া শুরু করে এবং তাদের শক্তির চাহিদা বেশি থাকে। প্লেটে পর্যাপ্ত প্রোটিন, শর্করা ও সবজি রাখতে হবে।
মেনু পছন্দ ১: ভাত, ঘন ডাল, দেশি মাছ বা মুরগির মাংসের তরকারি, কাঁচা শসা বা সালাদ এবং মিশানো সবজি (যেমন: ফুলকপি, বাঁধাকপি বা শিম)।
মেনু পছন্দ ২: পুষ্টিকর সবজি পোলাও বা ফ্রাইড রাইস (কম মসলায় তৈরি) এর সাথে ডিমের ওমলেট বা চিকেন কারি।
Md.Rafiqul Islam Lipu,Date:-19-09-2026,Saturday,Time:-06-04-35 Pm