Hello I'm Raiyyan Tahsan
Brand Model and Executive

TC(1100).(11).Pediatric Case No 27. Infantile Colic

C/C: যেসব বেবি সারাদিন ভালো থাকে কিন্তু সন্ধ্যা হলে কান্নাকাটি শুরু করে, এই প্রবলেমটা শুরু হয় ১ মাস বয়সের বেবিদের, পেট মোশরা-মোশরি শুরু করে। এই টাইপের প্রবলেম বেসিক্যালি গ্যাস প্রবলেম থেকে হয়। সেই জন্য মেইনলি ৩টা কাজ করতে হবে।

১. বাচ্চার মা-কে মাস্ট বেবিকে বসে বসে ব্রেস্ট ফিডিং করাতে হবে। কখনোই শুয়ে শুয়ে বুকের দুধ খাওয়ানো যাবে না।

২. দুধ খাওয়ানোর পরে বাচ্চার ঢেকুর তুলতে হবে। সেই জন্য বাচ্চার মা-কে বলতে হবে বাচ্চাকে কাঁধের উপরে নিয়ে বাচ্চার পিঠে ৫–১০ ছোট ছোট থাপ্পড় দিতে হবে। একে বার্পিং বলে। তাহলে গ্যাসটা ঢেকুরের মাধ্যমে বের হয়ে যাবে, গ্যাস হবে না।

৩. বাচ্চার পেট মায়ের পেটের সাথে লাগবে এবং বাচ্চার থুতনি মায়ের ব্রেস্টের যে কালো অংশ থাকে, তার মধ্যে বাচ্চার মুখ থাকবে, এর বাইরে যাবে না। তাহলে কিন্তু বাতাস ঢুকে যাবে বাচ্চার পেটে এবং গ্যাস হবে।

বোঝার উপায় হচ্ছে, বাচ্চা যখন দুধ খাবে তখন বাচ্চার মুখ থেকে চপচপ আওয়াজ করবে। তখন বুঝতে হবে যে বাচ্চার মুখ দিয়ে বাতাস ঢুকছে। কিন্তু ব্রেস্টের কালো অংশে মুখ থাকলে বাতাস ঢুকতে পারবে না এবং গ্যাস প্রোডিউস হবে না।

প্রধান Symptoms / লক্ষণ

  1. অতিরিক্ত কান্না — স্বাভাবিক কান্নার তুলনায় বেশি এবং সহজে থামানো যায় না।
  2. সন্ধ্যা বা রাতে কান্না বেশি — অনেক শিশুর ক্ষেত্রে প্রতিদিন প্রায় একই সময়ে শুরু হয়।
  3. হঠাৎ কান্না শুরু — বিশেষ কোনো কারণ ছাড়াই আকস্মিকভাবে কান্না শুরু হতে পারে।
  4. পা পেটের দিকে ভাঁজ করে রাখা — abdominal discomfort-এর মতো আচরণ করে।
  5. মুঠি শক্ত করে রাখা এবং হাত-পা ছোড়াছুড়ি করা।
  6. পেট ফাঁপা/গ্যাসের মতো অস্বস্তি — abdominal distension বা increased flatus থাকতে পারে।
  7. মুখ লাল হয়ে যাওয়া — দীর্ঘক্ষণ কান্নার সময়।
  8. পিঠ বাঁকানো বা শরীর শক্ত করে ফেলা।
  9. ঢেঁকুর বা গ্যাস বের হওয়ার পর সাময়িক আরাম হতে পারে।
  10. শান্ত করা কঠিন — কোলে নেওয়া, খাওয়ানো বা diaper পরিবর্তন করলেও সবসময় দ্রুত শান্ত হয় না।
  11. কান্নার episode শেষ হলে শিশু আবার স্বাভাবিক আচরণ করতে পারে।
  12. সাধারণত feeding ও growth স্বাভাবিক থাকে এবং শিশুকে অন্য সময় সুস্থ দেখায়।

ক্লাসিক Pattern

কোলিকের ঐতিহ্যগত “Rule of 3” হলো:

  • দিনে ৩ ঘণ্টার বেশি কান্না
  • সপ্তাহে ৩ দিন বা তার বেশি
  • কমপক্ষে ৩ সপ্তাহ

তবে বর্তমানে diagnosis করার জন্য শুধু এই “Rule of 3” অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক নয়।

Treatment management:-

তারপর আমি ২টা মেডিসিন দিচ্ছি, যেটা গ্যাস হওয়া থেকে দূরে রাখবে।

Pediatric Drop:

১. Gasnil 67 mg/ml, 15 ml Drop
As a: Simethicone
As a: Anti-dyspeptic/Carminatives

২. Procolic
As a: Bifidobacterium animalis subsp. lactis
As a: 1 billion Sachet
Herbal and Nutraceuticals, Probiotic

বাচ্চার মা বুকের দুধ ১ চামচের সাথে পাউডারের গুঁড়া মিশিয়ে খাওয়াবে। ১ চামচ পাউডারের সাথে মায়ের ১ চামচ বুকের দুধ মিশিয়ে দুই বেলা, মোট ১৫ দিন খাওয়াবেন। আশা করি গ্যাসের প্রবলেমটা কমে যাবে।

আর যদি না কমে, তাহলে বাচ্চার পেটে ব্যথা যদি থাকে, তাহলে বুঝতে হবে ইউরিন ইনফেকশন থাকতে পারে। বোঝার সহজ উপায় হচ্ছে প্রস্রাব করার সময় বাচ্চা কান্নাকাটি করবে এবং পেট মোশরাবে। তাহলে বাচ্চার ইউরিন টেস্ট করতে হবে।

আর বাচ্চার মা মাস্ট বুকের দুধ পান করাবে। কিন্তু ৫ মিনিট পর পর চেঞ্জ করবে না। যেই বুকের দুধ খাওয়াবে, ধরেন ডান পাশের দুধ খাওয়ালে টানা ১৫–২০ মিনিট খাওয়াবে, তখন বাম পাশের দুধ চেঞ্জ করে খাওয়াবে। এতে করে বেবির পুষ্টি এবং গ্রোথ ভালো পাবে, বাচ্চা তাড়াতাড়ি বড় হবে। এই নিয়মে দুধ পান করাতে হবে।

Md.Rafiqul Islam Lipu,Date:-17-09-2026 Thursday Time:-7-00-45 Pm

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top