Hello I'm Raiyyan Tahsan
Brand Model and Executive

TC(631).(07).Neurology Case No 40.Vertigo associates with ENT disorder.

মাথা ঘুরা মূলতঃ কানের কারণেই বেশি হয়। কাঠামোগত দিক বিবেচনায় কানের তিনটি অংশ যথাক্রমে বহিকর্ণ, মধ্যকর্ণ ও অন্তঃকর্ণ। অন্তঃকর্ণের কাজ দুটি এবং একটির কাজ শোনা আর অন্যটির কাজ শরীরের ভারসাম্য বজায় রাখা। সুতরাং শরীরের ভারসাম্য রক্ষায় শরীরের যে কোন অংশে কাজের ব্যত্যয় ঘটলে ঐ কান ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়ক ভূমিকা পারে না এবং মাথা ঘুরার সৃষ্টি হয়।

এখন পুরো অংশটা ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করি:-

হ্যাঁ, মাথা ঘোরা বা ভারটিগো (vertigo) সাধারণত কানের সমস্যা থেকেই বেশি হয়ে থাকে। চিকিৎসা পাঠ্যবই “Davidson’s Principles and Practice of Medicine” অনুযায়ী, ভারটিগোর প্রধান কারণগুলো কানের অভ্যন্তরে (inner ear) ঘটে থাকে।

কানের অভ্যন্তরের সমস্যা

কানের অভ্যন্তরে ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য একটি জটিল সিস্টেম রয়েছে, যা ভেস্টিবুলার সিস্টেম নামে পরিচিত। এই সিস্টেমের যেকোনো সমস্যা হলে ভারটিগো হতে পারে। ভারটিগোর প্রধান কানসংক্রান্ত কারণগুলো হলো:

1. বেনাইন প্যারোক্সিজমাল পজিশনাল ভারটিগো (BPPV): এটি কানের অভ্যন্তরে থাকা ক্যালসিয়াম ক্রিস্টাল বা ‘otoconia’ স্থানচ্যুত হয়ে সেমিসার্কুলার ক্যানেলে চলে গেলে ঘটে। মাথা ঘোরানোর সময় এই ক্রিস্টালগুলো ক্যানেলে চলাচল করে, যা ভারটিগোর কারণ হয়।

2. ভাইরাল ল্যাবিরিন্থাইটিস: ভাইরাসজনিত সংক্রমণ কানের অভ্যন্তরের ল্যাবিরিন্থ অংশে প্রদাহ সৃষ্টি করে, যার ফলে ভারটিগো হতে পারে।

3. মেনিয়ারের রোগ: এটি একটি দীর্ঘমেয়াদী কানের রোগ, যেখানে কানের অভ্যন্তরে তরলের চাপ বৃদ্ধি পায়, ফলে ভারটিগো, শ্রবণশক্তি হ্রাস, টিনিটাস (কানে শব্দ শোনা) ইত্যাদি উপসর্গ দেখা দেয়।

অন্যান্য কারণ

কানের অভ্যন্তরের বাইরে আরও কিছু কারণও ভারটিগোর সৃষ্টি করতে পারে, যেমন:

মাইগ্রেন: মাইগ্রেনের কারণে মস্তিষ্কে রক্তসঞ্চালন কমে যেতে পারে, যা ভারটিগোর সৃষ্টি করতে পারে।

স্ট্রোক বা সেরিব্রাল ভাস্কুলার সমস্যা: মস্তিষ্কের রক্তনালীতে সমস্যা হলে ভারটিগো হতে পারে।

মেডিকেশন: কিছু ওষুধ যেমন অ্যামিনোগ্লাইকোসাইড অ্যান্টিবায়োটিক, ফিউরোসেমাইড ইত্যাদি কানের অভ্যন্তরে বিষক্রিয়া সৃষ্টি করে ভারটিগো হতে পারে।

উপসংহার

সার্বিকভাবে, ভারটিগোর প্রায় ৮০-৯০% কানসংক্রান্ত কারণে হয়, এবং বাকি ১০-২০% ক্ষেত্রে মস্তিষ্ক বা স্নায়ুতন্ত্রের সমস্যা থাকে। তবে, সঠিক কারণ নির্ধারণের জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

Reference :-“Davidson’s Principles and Practice of Medicine” বইয়ের ২৩তম বা ২৪তম সংস্করণে এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা পাওয়া যাবে।

Raiyyan Tahsan Date:-18-07-2025 Friday Time:-09-55-27 Pm

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top