১. পৃথিবীতে এমন কোনো মানুষ নেই যার কখনও জ্বর হয়নি বা হবে না। ফিভার বা জ্বর এমন একটি সিম্পটম যেটির লাইফটাইম প্রিভ্যালেন্স অলমোস্ট ১০০%।
২. মানুষের শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা ৯৬-১০০ ডিগ্রি ফারেনহাইট। তাপমাত্রা ১০০.৪ হয়ে গেলে সেটিকে জ্বর বলা হয়। তাপমাত্রা সারাক্ষণই একরকম থাকে না। বিকেলের দিকে তাপমাত্রা সবচেয়ে বেশি থাকে। সকালের দিকে কিছুটা কম থাকে।
৩. অনেক সময় রোগী বলে জ্বর জ্বর লাগে। কিন্তু থার্মোমিটারে মেপে জ্বর পাওয়া যায় না। এটাকে ফিভারিশনেস বলে। কিছু কন্ডিশন আছে যেখানে শরীরের তাপমাত্রা বেশি মনে হয়। যেমন : রক্তশূন্যতা বা এনিমিয়া। হাইপারডায়নামিক সার্কুলেশনের কারণে একটু ওয়ার্ম ফিলিং হয়।
৪. আশার কথা হচ্ছে, বেশিরভাগ জ্বর নিজে নিজেই ভালো হয়ে যায়। দুশ্চিন্তার বিষয় হচ্ছে, জ্বর দিয়ে শুরু হয় এমন কিছু রোগ আছে যা মৃত্যুর কারণও হতে পারে।
৫. জ্বরের রোগীদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হচ্ছে, “আজ আপনার জ্বরের কতোতম দিন/ আপনার জ্বর কবে শুরু হয়েছিল?”
জ্বরের ডিউরেশন কেন এতো গুরুত্বপূর্ণ?
বাংলাদেশের মতো একটা ট্রপিকাল কান্ট্রিতে কারও জ্বরের ডিউরেশন যদি ৭ দিনের কম হয়, তাহলে ৮০% ক্ষেত্রে তার ভাইরাল ফিভার হবার সম্ভাবনা। এটাকে এপিডেমিওলজিকাল ডায়াগনোসিস বা ডায়াগনোসিস বাই প্রিভ্যালেন্স বলা যেতে পারে।
আবার কারও যদি ৭ দিনের বেশি জ্বর থাকে, ৭-১৪ দিন, তাহলে ইন্ডিয়ান সাবকনটিনেন্টে সেটিকে এন্টেরিক/টাইফয়েড ফিভার হিসেবে বিবেচনা করতে হয়, যদি না অন্য কোনোভাবে অন্য কোনো ডায়াগনোসিস হয়। এপিডেমিওলজিক্যাল প্রেক্ষাপটে ৮০% ক্ষেত্রে তা-ই সত্য হবে।
Raiyyan Tahsan Date:-09-07-2025 Wednesday Time:-04-25-23 Pm