ফ্যাটি লিভার ডায়েট নিয়ে একটা একেবারেই সেকেলে চিন্তাভাবনা হচ্ছে, ফ্যাটি লিভার হলে নাকি তেল-চর্বিজাতীয় খাবার একেবারেই খাওয়া নিষেধ।
গত ১৫ বছরে নিউট্রিশন সায়েন্স আগাগোড়া বদলে গেছে। এখন আমরা জানি লিভারে যে ফ্যাট তৈরি হয় তার সাথে ডায়েটারি ফ্যাটের সম্পর্ক অতি সীমিত। মানে চর্বি খেলেই চর্বি জমে কথাটা ঠিক না।
এই পোস্টে আমরা তিনটা তেল সম্পর্কে জানবো, ফ্যাটি লিভার হলে যেগুলো আপনি খেতে পারবেন এবং এগুলো দিয়ে হাই ফ্যাট ডায়েটও করতে পারবেন।
১)এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল-এটা ওমেগা-৯ ফ্যাটি এসিড সমৃদ্ধ, এন্টাই ইনফ্ল্যামাটরি এবং লিভারের জন্য সবচে ভাল তেল হিসেবে পরিচিত।
২)ফিশ অয়েল-ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড সমৃদ্ধ ফিশ-ওমেগা ৩ নিয়ে বলার কিছু নেই আসলে। তবে আমি ফ্যাটি লিভার প্যাশেন্টদের যে ডোজে ওমেগা-৩-পারটিকুলারলি DHA-EPA নিতে বলি তা বেশিরভাগ সময়েই খাবার থেকে যথেষ্ট পাওয়া যায় না। এক্ষেত্রে ভাল ব্র্যান্ডের DHA-EPA-অয়েল সাপ্লিমেন্ট আকারে নিতে পারেন। ওমেগা-৩ ফিশ অয়েল লেবেল দেখলেই তা কেনার জন্য ঝাপিয়ে পড়বেন না, DHA-EPA আছে কিনা এবং রেশিও কত দেখে নেবেন।
৩)এক্সট্রা ভার্জিন কোকোনাট অয়েল-এমসিটি বা মিডিয়াম চেইন ট্রাইগ্লিসারাইড থাকার জন্য যারা লো কার্ব হাই ফ্যাট বা কিটো ডায়েট করেন তাদের জন্য খুবই কার্যকর একটা তেল হচ্ছে ভার্জিন কোকোনাট অয়েল। কোকোনাট অয়েলের পক্ষে ও বিপক্ষে প্রচুর রিসার্চ আছে, এজন্য এখানে আমি পারটিকুলারলি মেনশন করে দিলাম ঠিক কোন ধরনের ডায়েটে এটা ভাল কাজ করে।
এছাড়াও আপনি যদি ৩০% এর নিচে কার্বোহাইড্রেট খান এবং জিরো সুগার ডায়েটে থাকেন, আপনি ঘি-মাখন দুটোই খেতে পারবেন নিশ্চিন্তে।
Raiyyan Tahsan Date:-18-05-2025 Sunday Time:-10-20-45 Pm