Hello I'm Raiyyan Tahsan
Brand Model and Executive

(19).Gastroenterology Case No 28. Gallstones

পিত্তথলিতে পাথর (Gallstones) ও এর চিকিৎসা(Treatment) :

পিত্তথলির পাথর (Gall stone)কি

পিত্তথলি (Gallbladder) হলো যকৃতের নিচে থাকা একটি ছোট থলি, যা পিত্তরস (Bile) জমা করে এবং চর্বিজাতীয় খাবার হজমে সাহায্য করে। যখন পিত্তরসের মধ্যে কোলেস্টেরল, বিলিরুবিন বা অন্যান্য উপাদানের ভারসাম্য নষ্ট হয়, তখন পাথর (Gallstones) তৈরি হতে পারে।

লক্ষণসমূহ (Symptoms):

বিলিয়ারি কোলিক (Biliary Colic):

খাবার পর বিশেষ করে চর্বিযুক্ত খাবারের পর তীব্র ব্যথা

ডান পাঁজরের নিচে (RUQ) ব্যথা, যা কাঁধ বা পিঠে ছড়াতে পারে

কয়েক মিনিট থেকে কয়েক ঘণ্টা স্থায়ী হতে পারে

অ্যাকিউট কোলেসিস্টাইটিস (Acute Cholecystitis):

দীর্ঘস্থায়ী ও তীব্র ব্যথা(Severe,colicky pain)

জ্বর, বমি, এবং ক্ষুধামন্দা (Fever,Vomiting, Anorexia)

মারফি সাইন (Murphy’s Sign) পজিটিভ (RUQ-তে চাপ দিলে ব্যথার কারণে শ্বাস আটকে যাওয়া)

অন্য জটিলতা:

কোলেডোকোলিথিয়াসিস (Choledocholithiasis): পিত্তনালীতে পাথর আটকে গেলে জন্ডিস,বমি বমি ভাব

প্যানক্রিয়াটাইটিস(Pancreatitis) : পিত্তনালীর পাথর যদি অগ্ন্যাশয় বন্ধ করে দেয় তবে তীব্র পেটব্যথা

রোগ নির্ণয় (Diagnosis):

আল্ট্রাসাউন্ড (USG of whole abdomen with special attention to hepatobilliary pancreatic system ): প্রথম সারির পরীক্ষা, যা পাথরের উপস্থিতি দেখায়

LFT (Liver Function Test): বিলিরুবিন এবং ALP বৃদ্ধি পেলে পিত্তনালীতে অবরোধের সম্ভাবনা

ERCP (Endoscopic Retrograde Cholangiopancreatography): যদি পাথর পিত্তনালীতে আটকে যায়

HIDA Scan: যদি আল্ট্রাসাউন্ড অস্পষ্ট হয়

চিকিৎসা (Treatment)

লক্ষণবিহীন (Asymptomatic Gallstones):

No treatment only observation.কোনো চিকিৎসার প্রয়োজন নেই

শুধুমাত্র বড় ঝুঁকি থাকলে (যেমন ডায়াবেটিস) সার্জারি বিবেচিত হতে পারে।

বিলিয়ারি কোলিক(Billiary colic):

ব্যথানাশক ওষুধ (NSAIDs বা Opioids)

চর্বিযুক্ত খাবার এড়ানো(Avoid fatty foods)

পুনরাবৃত্তি হলে ল্যাপারোস্কোপিক কোলেসিস্টেকটোমি (Laparoscopic cholecystectomy)

অ্যাকিউট কোলেসিস্টাইটিস(Acute cholecystitis) :

IV এন্টিবায়োটিক: (Ceftriaxone + Metronidazole)

NPO (খাবার বন্ধ) এবং IV ফ্লুইড

অন্তর্বর্তীকালীন সার্জারি (Interval Cholecystectomy )

জটিলতা থাকলে (যেমন পিত্তনালীতে পাথর আটকে গেলে)If complications like choledocolithiasis:

ERCP করে পাথর অপসারণ

পরে Cholecystectomy

প্রতিরোধ (Prevention)

ওজন নিয়ন্ত্রণ(Weightloss): হঠাৎ ওজন কমালে Gallstones এর ঝুঁকি বাড়ে

কম চর্বিযুক্ত ও বেশি ফাইবারযুক্ত খাদ্যাভ্যাস(Low fat & high fiber diet)

পর্যাপ্ত পানি পান করা (Adequate drinking of water)

Raiyyan Tahsan.

Endocrinology Case No 00

থাইরয়েডের সমস্যা হলে কী খাবেন, কী খাবেন না

আমাদের গলার সম্মুখভাগে অবস্থিত থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে থাইরয়েড হরমোন থাইরক্সিন ও ট্রাইআয়োডো-থাইরোনাইন নিঃসৃত হয়। থাইরয়েড গ্রন্থিতে নানা রকম রোগ হতে পারে। পুরুষদের তুলনায় নারীদের থাইরয়েড সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা প্রায় ১০ গুণ।

থাইরয়েড গ্রন্থিতে মূলত দুই ধরনের সমস্যা দেখা যায়, হাইপোথাইরয়েডিজম ও হাইপারথাইরয়েডিজম। প্রথমটিতে গ্রন্থির হরমোন নিঃসরণ কমে এবং পরেরটিতে নিঃসরণ বাড়ে।

গ্রেভস রোগ, মালটি নোডিউলার গয়টার, টক্সিক অ্যাডিনোমা, থাইরয়েডের প্রদাহ, অতিরিক্ত আয়োডিন গ্রহণ হাইপারথাইরয়েডিজমের অন্যতম কারণ। দ্রুত হৃৎস্পন্দন, ভঙ্গুর চুল, ওজন হ্রাস, অতিরিক্ত গরম ও ঘাম, গলগণ্ড হাইপারথাইরয়েডিজমের কয়েকটি লক্ষণ। এ সমস্যায় নারীদের অনিয়মিত মাসিক দেখা দিতে পারে।

অন্যদিকে আয়োডিনের অভাবের কারণে বাঅটোইমিউন রোগে থাইরয়েড হরমোনের নিঃসরণ কমে যায়, যাকে হাইপোথাইরয়েডিজম বলে। ক্লান্তি, দুর্বলতা, হৃৎস্পন্দন কমে যাওয়া, ওজন বৃদ্ধি, শীত লাগা, ভঙ্গুর চুল ও নখ, কোষ্ঠকাঠিন্য ইত্যাদি হাইপোথাইরয়েডিজমের অন্যতম লক্ষণ।

থাইরয়েডের রোগীদের পরিচিত প্রশ্ন হলো, কী খেলে এটি বাড়ে বা কী খাওয়া উচিত নয়। এ নিয়ে আছে নানা বিভ্রান্তি।

খাবার ব্যবস্থাপনা:-

1.কিছু বিশেষ খাবারকে গয়েট্রিজেনিক ফুড বলা হয়। এসব খাবারে উপস্থিত গয়েট্রিজেন নামের উপাদান আয়োডিনের শোষণকে প্রভাবিত করে ও গলগণ্ড বাড়াতে পারে, যেমন ফুলকপি, পাতাকপি, ব্রোকলি, শর্ষেশাক, মুলা, শজনে। তবে এগুলো পরিমিত বা অল্প পরিমাণে খেলে এবং ভালো করে রান্না করে খেলে নিরাপদ। সেদ্ধ করে পানি ফেলে দিলেও নিরাপদ। এ ছাড়া চা-কফির ক্যাফেইন হৃৎস্পন্দনকে প্রভাবিত করে, তাই যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলতে হবে।

2.গ্লুটিনসমৃদ্ধ খাবার থাইরয়েডকে প্রভাবিত করতে পারে কারও কারও ক্ষেত্রে। যাঁদের অটোইমিউন রোগ বা গ্লুটিন অ্যালার্জি আছে, তাঁরা আটা-ময়দার তৈরি খাবার বাদ দিতে পারেন। সয়াবিনজাত খাবারও কম খাবেন।

3.হাইপো ও হাইপারথাইরয়েড—এ দুই দলেরই উচ্চ রক্তচাপ দেখা দেয়। তাই বেশি সোডিয়ামযুক্ত খাবার বর্জন করতে হবে। প্রক্রিয়াজাত ও প্যাকেটজাত খাবার না খাওয়া ভালো। হাইপোথাইরয়েড রোগীদের রক্তে কোলেস্টেরল বৃদ্ধির প্রবণতা দেখা দেয়। তাই তেল–চর্বি কমাতে হবে।

হাইপারথাইরয়েডিজমে কী খাবেন না:-

1.হাইপারথাইরয়েডিজমে আয়োডিনসমৃদ্ধ খাবার, যেমন সামুদ্রিক মাছ, ডিম, সামুদ্রিক স্পিরুলিনা, আয়োডিনযুক্ত লবণ ইত্যাদি কম খাওয়া ভালো।

হাইপোথাইরয়েডিজমে কী খাবেন:-

1.আয়োডিনসমৃদ্ধ খাবার, যেমন আয়োডিনযুক্ত লবণ, দুধ, ছানা, পনির, সামুদ্রিক মাছ, ডিম, সামুদ্রিক স্পিরুলিনাসহ সব সামুদ্রিক খাবার বেশি খেতে হবে। এ ক্ষেত্রে পিংক সল্ট খাওয়া যাবে না, বরং আয়োডিনযুক্ত লবণ খাওয়া উচিত।

2.থাইরয়েড হরমোন সক্রিয় করতে সেলেনিয়াম খুব গুরুত্বপূর্ণ। এ ছাড়া সেলেনিয়াম অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে। ডিম, মুরগি, ওটমিল, বাদাম, টুনা মাছ ইত্যাদিতে সেলেনিয়াম আছে।

3.থাইরয়েড হরমোন সক্রিয় রাখতে জিংকও গুরুত্বপূর্ণ। এটি টিএসএইচ হরমোন নিঃসরণ প্রভাবিত করে। জিংকের অভাবে থাইরয়েডের কার্যক্রম ব্যাহত হয়। চিংড়ি, গরু-খাসির মাংস, মুরগির মাংস, কাঁকড়া, ঝিনুক, মিষ্টিকুমড়ার বীজ, সূর্যমুখীর বীজ জিংকের ভালো উৎস।

Raiyyan Tahsan Date:-28-04-2025 Monday Time:-09-52-45 Pm

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top