Biliary colic — ভুলটা নামের ভেতরেই লুকানো
গত শনিবারের acute abdomen লাইভ ক্লাসে biliary colic নিয়ে কথাটা যতটা পরিষ্কার হওয়া দরকার ছিল, ততটা হয়নি। তাই আলাদা করে লিখছি।
Last Night Shift এ একটা বয়স্ক রোগী দেখলাম A&E তে। রোগীর অনেক বছর যাবত একইরকম ব্যথা। RUQ severe pain, temporary lasting, ব্যথা চলে যাওয়ার পর রোগী একদম সুস্থ। Known cholelithiasis, কিন্তু co morbidities এর জন্য অপারেশন করা যাচ্ছে না।
প্রথম কথাটাই সবচেয়ে জরুরি —
Colic মানে ঢেউয়ের মতো আসা-যাওয়া করা ব্যথা। Ureteric colic ঠিক তাই করে — রোগী ছটফট করেন, ব্যথা ওঠে, কমে, আবার ওঠে।
Biliary colic এভাবে আচরণ করে না।
এর ব্যথা একবার উঠে একটা plateau তে পৌঁছায়, তারপর সেখানেই স্থির হয়ে বসে থাকে — যতক্ষণ না নিজে থেকে মিলিয়ে যায়। অনেকেই একে biliary pain বলতে চান, কারণ “colic” শব্দটা বিভ্রান্তিকর।
ক্লাসে যদি ধারণা হয়ে থাকে “colic মানেই ঢেউ” — ওই নিয়মটা ureteric colic-এর জন্য, biliary-র জন্য নয়।
Pathao physiology:
পাথর গিয়ে gallbladder-এর neck বা cystic duct আটকে দেয়। খাবারের stimulation এ gallbladder সংকুচিত হয়, ভেতরের চাপ বাড়ে — ব্যথা শুরু হয়।
তারপর পাথরটা সরে যায় বা পিছলে ফিরে আসে, obstruction কেটে যায়, ব্যথা থেমে যায়। কোনো inflammation হয়নি, কোনো infection হয়নি।
এটাই acute cholecystitis-এর সঙ্গে মূল পার্থক্য — সেখানে obstruction থেকে যায়, wall inflamed হয়, fever ও systemic symptoms আসে।
অর্থাৎ biliary colic সংজ্ঞা অনুযায়ীই temporary & self resolving। যদি না থামে — তাহলে ওটা আর biliary colic নেই, অন্য কিছু।
ব্যথার সময়টাই চেনার উপায় — এটাই সবচেয়ে কাজের feature:
• হঠাৎ শুরু, ১৫ মিনিট থেকে ১ ঘণ্টার মধ্যে পূর্ণ তীব্রতায় পৌছায়
• তারপর স্থির, ওঠানামা করে না — সাধারণত ৬ ঘণ্টার কম
• দুই attack এর মাঝে রোগী সম্পূর্ণ সুস্থ থাকে
Site: epigastrium, RUQ, বা দুটোই।
এখানে একটা বড় ফাঁদ — epigastric ব্যথা মানেই non-biliary নয়। এই একটা ভুল থেকেই বছরের পর বছর “গ্যাস্ট্রিক” বলে PPI চলতে থাকে।
Radiation: Right scapula, দুই scapula-র মাঝামাঝি, Right Shoulder। বয়স্ক ও ডায়াবেটিক রোগীতে স্থান অস্পষ্ট থাকতে পারে।
Exacerbating factor: প্রায়ই রাতে, প্রায়ই ভারী বা তেলযুক্ত খাবারের পর — তবে অনেক ক্ষেত্রে কোনো কারণ ছাড়াই।
Associated symptom: বমি বমি ভাব ও বমি থাকে।
ব্যথা অবস্থান বদলালে, পায়খানা হলে, নড়াচড়ায় বা antacid-এ কমে না।
যা থাকলে এটা আর biliary colic নয় —
জ্বর · জন্ডিস · কাঁপুনি · tachycardia · guarding বা rebound
এগুলোর একটাও থাকলে diagnosis বদলায়:
• ৬ ঘণ্টার বেশি ব্যথা + জ্বর ৩৮°C (১০০.৪°F) + Murphy’s positive + WBC raised → acute cholecystitis → admission
• তার সঙ্গে জন্ডিস ও কাঁপুনি (Charcot’s triad) → cholangitis → emergency admission, sepsis pathway
• জন্ডিস, গাঢ় প্রস্রাব, ফ্যাকাশে পায়খানা, bilirubin/ALP raised, জ্বর নেই → CBD stone
• পিঠে radiate করা severe epigastric pain, non strop vomiting, lipase বাড়া → gallstone pancreatitis
Investigation:
LFT এবং ultrasound, দুটোই।
• Uncomplicated biliary colic-এ LFT স্বাভাবিক থাকে। Bilirubin, ALP বা GGT বাড়লে duct stone ভাবুন
• CBC স্বাভাবিক। WBC বাড়া মানে cholecystitis-এর দিকে ভাবা দরকার
• ব্যথা epigastric, তীব্র বা পিঠে ছড়ালে amylase বা lipase
• Highrisk patient এর epigastric pain এ ECG — ক্লাসের সেই একই নিয়ম
একটা কথা স্পষ্ট করে বলা দরকার: ডায়াগনোসিসটা স্ক্যান দেয় না, ব্যথার প্যাটার্ন দেয়। পাথরের সংখ্যা, আকার বা gallbladder wall-এর পুরুত্বের সঙ্গে উপসর্গের সম্পর্ক দুর্বল। অনেক মানুষ সারাজীবন পাথর বয়ে বেড়ান, কখনো ব্যথা হয় না।
Treatment:
• NSAID first choice, contraindication না থাকলে
• যথেষ্ট না হলে opioid
• Antiemetic
• ব্যথা থাকাকালীন NPO, তারপর হালকা খাবার
• Antibiotic নয় — এখানে কোনো infection নেই। Antibiotic cholecystitis ও cholangitis-এর জিনিস
একটা সতর্কতা, ক্লাস থেকেই আসতে পারে: NICE-এর “antispasmodic দেবেন না” নির্দেশটা renal colic নিয়ে লেখা। ওটা biliary pain-এ টেনে আনবেন না — সেইটা ভিন্ন গাইডলাইন।
বেশিরভাগ আক্রমণ নিজে থেকেই থামে, ভর্তি লাগে না। ভর্তি লাগবে যদি ব্যথা নিয়ন্ত্রণে না আসে, ৬ ঘণ্টা পেরিয়ে যায়, বা উপরের red flag কোনোটা আসে।
এরপর কী — এখানেই সবচেয়ে বেশি ভুল হয়
Symptomatic gallbladder stone থাকলে laparoscopic cholecystectomy offer করতে হবে।
অর্থাৎ একটামাত্র genuine biliary colic-এর এপিসোডই রোগীকে symptomatic বানিয়ে দেয়। “আরেকবার হোক, তারপর দেখা যাবে” নয় — surgical referral এখনই।
আর ঠিক opposite এ: asymptomatic রোগীর routine USG-তে পাওয়া পাথর, যেখানে gallbladder ও biliary tree স্বাভাবিক — সেখানে কোনো চিকিৎসা লাগে না। রোগীকে আশ্বস্ত করাই যথেষ্ট।
স্ক্যান দেখে অপারেশন নয়, রোগী দেখে। Treatment the patient, not the number (scan)
রেফার করার আগে রোগীকে honestly বলুন:
প্রমাণিত পাথর থাকা সত্ত্বেও প্রায় ১০-৩০% রোগীর উপসর্গ cholecystectomy-র পরেও থেকে যায়। কারণ প্রায় সবসময়ই একটাই — ব্যথাটা আসলে biliary ছিল না।
তাই আরামের প্রতিশ্রুতি দেওয়ার আগে দেখে নিন History মিলে কি না। ব্যথা যদি প্রতিদিন হয়, কয়েক মিনিট স্থায়ী হয়, antacid-এ কমে যায়, বা সঙ্গে বুক জ্বালাপোড়া ও ঢেকুর থাকে — সেটা সম্ভবত biliary নয়, আর অপারেশনেও সারবে না।
ফলো-আপ
একবার আক্রমণ হয়ে গেলে প্রায় এক-তৃতীয়াংশ রোগীর আর কখনো হয় না। কিন্তু যাদের হয়, তাদের মধ্যে পুনরাবৃত্তি বেশ common — cohort follow-up-এ প্রায় ৩৮-৫০% পর্যন্ত recurrent biliary pain রিপোর্ট হয়েছে, আর বারবার আক্রমণ হলে complication এর সম্ভাবনাও বাড়ে।
তাই রেফার করার পরেও: লিখিত return instruction দিন, আর অপারেশনের অপেক্ষার সময়ে একটা রিভিউ ডেট রাখুন।
রোগীকে যা বলবেন
“পাথর কিছুক্ষণের জন্য পিত্তথলির মুখ আটকে দিয়েছিল, সেজন্যই ব্যথা হয়েছে। পাথরটা সরে গেছে বলে এখন ভালো লাগছে। কিন্তু পাথর রয়েই গেছে — আবার হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। তাই পিত্তথলি ফেলে দেওয়াই চিকিৎসা, সেজন্য আপনাকে surgeon এর কাছে পাঠাচ্ছি।
Safety netting:
অপেক্ষার সময়ে — ব্যথা ফিরে এসে কয়েক ঘণ্টা থেকে গেলে, জ্বর বা কাঁপুনি এলে, চোখ হলুদ হলে, বা বমি না থামলে — অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য অপেক্ষা না করে হাসপাতালে যাবেন।”
এক লাইনে আবার:
Renal colic ঢেউয়ের মতো আসে-যায়। Biliary colic আসে না — স্থির থাকে। নামটাই ভুল।
আমার এই বয়স্করোগী সেইদিন সন্ধ্যায় তেলে ভাজা বেগুন খেয়েছিল পরে ব্যথাটা শুরু হয়, আমি যখন দেখি ততক্ষণে রোগী asymptomatic। তো সেদিন আবার উনার জন্মদিন ছিল, যাবার সময় রোগীর মেয়ে বলে আজকে আবার কেক খাওয়ার পর যেন না আসতে হয়
Md.Rafiqul islam lipu