Hello I'm Raiyyan Tahsan
Brand Model and Executive

TC(1142).(11).Pediatric Case No 69.আবহাওয়া পরিবর্তনে শিশুর সর্দি-কাশি ও ভাইরাসের দাপট ওষুধ ছাড়াই যেভাবে কমাবেন কষ্ট?

আবহাওয়া পরিবর্তনের এ সময়টাতে প্রায় প্রতিটি ঘরেই শিশুরা সর্দি-কাশি, সিজনাল ফ্লু বা ভাইরাস জ্বরে আক্রান্ত হচ্ছে।

ঘরোয়া উপায়ে কীভাবে উপসর্গ কমাবেন, তা জেনে নিন

​১. নরমাল স্যালাইন ড্রপ ও নাক পরিষ্কার

সর্দিতে শিশুর নাক বন্ধ হয়ে গেলে ঘুমাতে ও বুকের দুধ/খাবার খেতে দারুণ কষ্ট হয়।

​প্রতিবার খাওয়ার বা ঘুমানোর ১০-১৫ মিনিট আগে দুই নাকে ১-২ ফোটা নরমাল স্যালাইন ড্রপ দিয়ে সাকশন বাল্ব বা টিস্যু দিয়ে নাক পরিষ্কার করে দিন। এটি সম্পূর্ণ নিরাপদ।

​২. বাষ্প (Steam) বা নেবুলাইজেশন

বাষ্প কফ নরম করতে সাহায্য করে এবং শ্বাসনালী পরিষ্কার রাখে।

​গরম পানির ভাপ বা বাথরুমের গরম পানির শাওয়ার চালিয়ে ঘর বাষ্পময় করে শিশুকে ৫-১০ মিনিট সেখানে রাখতে পারেন।

​চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ক্ষেত্রবিশেষে শুধু নরমাল স্যালাইন দিয়ে নেবুলাইজেশন করলেও কফ ও শ্বাসকষ্টের অস্বস্তি কমে।

​ ৩. এক বছরের বড় শিশুদের জন্য মধু ও হালকা গরম পানি

​শিশু ১ বছরের বড় হলে ১/২ চা চামচ মধু এবং হালকা গরম পানি বা লেবুর রস মিশিয়ে খাওয়াতে পারেন। এটি প্রাকৃতিক কাশির সিরাপ হিসেবে কাজ করে। (মনে রাখবেন, ১ বছরের ছোট শিশুদের মধু দেওয়া সম্পূর্ণ নিষেধ)।

​৪. প্রচুর তরল খাবার ও তরল পুষ্টি

​বুকের দুধ পান করা শিশুদের ঘন ঘন দুধ খাওয়ান।

​বড় শিশুদের ক্ষেত্রে সূপ, ডালের পানি, তুলসী-আদা যুক্ত হালকা লাল চা বা কুসুম গরম পানি দিন। তরল খাবার কফ পাতলা করতে সাহায্য করে।

​উঁচু বালিশ বা সামান্য কাৎ করে শুইয়ে রাখা এবং শিশুকে পরিচ্ছন্ন ও ধুলাবালি থেকে দূরে রাখাও বেশ কার্যকর।

​ কখন দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যাবেন?

​শিশু দ্রুত শ্বাস নিলে বা শ্বাস নেওয়ার সময় বুকের পাঁজর দেবে গেলে।

​শ্বাস নেওয়ার সময় বাঁশির মতো আওয়াজ (Wheezing) হলে।

​৩ দিনের বেশি একটানা তীব্র জ্বর থাকলে বা শিশু খাবার খাওয়া ও প্রস্রাব বন্ধ করে দিলে।

Md.Rafiqul Islam Lipu,Date:-19-09-2026,Saturday,Time:-06-04-35 Pm

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top