নবজাতককে জন্মের পর Vitamin K দেওয়া জরুরি কেন?
* নবজাতকের শরীরে জন্মের সময় Vitamin K-এর মাত্রা খুব কম থাকে।
* প্লাসেন্টা দিয়ে Vitamin K খুব অল্প পরিমাণে শিশুর শরীরে যায়।
* মায়ের দুধে Vitamin K-এর পরিমাণ খুবই সামান্য।
* জন্মের সময় শিশুর অন্ত্রে Vitamin K তৈরিকারী জীবাণু পর্যাপ্ত থাকে না।
* তাই জন্মের পর বাড়তি Vitamin K প্রয়োজন হয়।
* Vitamin K রক্ত জমাট বাঁধার জন্য প্রয়োজনীয় clotting factor তৈরিতে সাহায্য করে।
* Vitamin K না দিলে Vitamin K Deficiency Bleeding (VKDB) হতে পারে, যা কখনো কখনো জীবনহানির কারণ হতে পারে।
Vitamin K দেওয়ার পদ্ধতি
১. Intramuscular (IM) injection
* জন্মের পরপরই উরুর মাংসে দেওয়া হয়।
* নবজাতকের জন্য এটি সবচেয়ে সুপারিশকৃত ও কার্যকর পদ্ধতি।
* সাধারণত একবারের ডোজই যথেষ্ট।
* IM Vitamin K late VKDB প্রতিরোধে oral Vitamin K-এর চেয়ে বেশি কার্যকর ও নির্ভরযোগ্য।
* ইনজেকশন দেওয়ার পর Vitamin K ধীরে ধীরে শোষিত হয়ে কয়েক সপ্তাহ সুরক্ষা দিতে পারে।
২. Oral Vitamin K
* কিছু দেশে বা নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
* যেমন, বাবা-মা ইনজেকশন দিতে রাজি না হলে বা IM Vitamin K সহজলভ্য না হলে।
* মুখে দিলে একাধিক ডোজ প্রয়োজন হয়।
* প্রচলিত একটি regimen হলো:
* জন্মের পর: 2 mg
* ১ সপ্তাহ বয়সে: 2 mg
* ৪ সপ্তাহ বয়সে: 2 mg
* তবে preparation ও guideline অনুযায়ী ডোজ/সময় ভিন্ন হতে পারে।
* Oral regimen-এ ডোজগুলো সময়মতো দেওয়া নিশ্চিত করা জরুরি।
* এটি IM-এর তুলনায় কম কার্যকর, বিশেষ করে late VKDB প্রতিরোধে।
VKDB-এর ৩ ধরন
১. Early VKDB: জন্মের প্রথম ২৪ ঘণ্টার মধ্যে। বিশেষ করে মায়ের anticonvulsant বা কিছু anti-TB ওষুধ ব্যবহারের সঙ্গে ঝুঁকি বাড়তে পারে।
২. Classic VKDB: জন্মের ২–৭ দিনের মধ্যে; নাভি, পাকস্থলী বা ক্ষতস্থান থেকে রক্তপাত হতে পারে।
৩. Late VKDB: ২–১২ সপ্তাহের মধ্যে; মস্তিষ্ক বা শরীরের ভেতরে মারাত্মক রক্তক্ষরণ হতে পারে।
বাংলাদেশে সরকারি EPI (Expanded Programme on Immunization) টিকাদান কর্মসূচিতে Vitamin K অন্তর্ভুক্ত নয়। তবে বাংলাদেশে অনেক হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে নবজাতকের জন্মের পর রুটিনভাবে Vitamin K দেওয়া হয়।
Md.Rafiqul Islam Lipu.Date:-17-09-2026 Thursday Time:-04-41-55 Pm