Hello I'm Raiyyan Tahsan
Brand Model and Executive

TC(603).(11).Pediatric Case No 13. শিশুর ঘুম

শিশুর ঘুম নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছেন? এই লেখাটা আপনার জন্য!

একজন শিশু বিশেষজ্ঞ হিসেবে প্রতিদিন অসংখ্য বাবা-মার সাথে কথা হয়। ঘুম নিয়ে বাচ্চাদের সমস্যাগুলো এখন খুব সাধারণ, বিশেষ করে জন্মের পর প্রথম বছর এবং এরপরেও।

দুইটা বিষয় আমরা ঘন ঘন লক্ষ্য করি—

১. ঘুমের রুটিন এলোমেলো হয়ে যাওয়া

২. অতিরিক্ত ক্লান্ত হলেও ঘুমাতে না চাওয়া

 ঘুমের রুটিন কেন ভেঙে যায়?

ছোট একটা ঠান্ডা, দাঁতের ব্যথা, বাড়ির পরিবেশে পরিবর্তন—সবই শিশুর ঘুমকে প্রভাবিত করতে পারে। এমনকি বাবা-মার ছুটি শেষে আবার কাজে ফেরা বা নতুন কেয়ারগিভার যোগ হওয়াও শিশুর মনে অস্থিরতা তৈরি করে।

ভ্রমণে গেলে, নানু বাড়িতে বেড়াতে গেলে কিংবা শিশু যখন হামাগুড়ি বা হাঁটতে শেখার মতো নতুন কিছু শেখে—এই পরিবর্তনগুলো ঘুমে প্রভাব ফেলে।

 কীভাবে সামলাবেন?

• ঘুমের সময় এলোমেলো হলে শিশুর কান্না, বিরক্তি, খিটখিটে মেজাজ—এসব স্বাভাবিক। এমন সময়ে বাচ্চার প্রতি একটু বেশি সহানুভূতিশীল হতে হবে।

• দিনে বারবার ছোট ঘুম কমিয়ে একটা লম্বা গ্যাপ রাখুন যাতে রাতে একটানা ঘুমাতে পারে।

• আগের মতো রুটিনে ফিরিয়ে আনুন। যেমন গরম পানিতে গোসল, হালকা খাওয়ানো, গল্প বলা, তারপর ঘুম।

• ঘুমানোর আগে বুকের কাছে রাখা, সান্ত্বনা দেওয়া, সময় দেওয়া—সবই গুরুত্বপূর্ণ।

 ক্লান্ত হলেও ঘুমাতে চায় না কেন?

এটা হয় যখন শিশু ‘অতিরিক্ত ক্লান্ত’ (overtired) হয়ে পড়ে। ঘুমের সঠিক সময়টা যদি পার হয়ে যায়, তখন তার শরীর ঘুম না চেয়ে উল্টো আরও উত্তেজিত হয়ে ওঠে। তখন শুরু হয় কান্নাকাটি, জেদ, খাওয়ার অনীহা, দোলালে বিরক্তি—ঘুমানোর পুরো প্রসেসটাই যেন যুদ্ধ!

 সমাধান কী?

• ঘুমের লক্ষণ দেখলেই বিছানায় শুইয়ে দিন—দেরি না করে।

• “আরেকটু জেগে থাকলে ঘুম পাকা হবে”—এটা ভুল ধারণা। বরং বেশি জাগলেই ঘুম আরও কঠিন হয়।

• দিনের ঘুমের সময় ঠিক রেখে রাতের ঘুম নিশ্চিত করুন।

• কোনো রাতে ঘুম কম হলে, পরদিন দুপুরে একটু বাড়তি ঘুমানোর সুযোগ দিন।

 ঘুম বাচ্চার ব্রেন, মুড, এবং খাওয়ার অভ্যাস—সবকিছুর সঙ্গে জড়িত। নিয়মিত ও পর্যাপ্ত ঘুম মানেই একটা সুস্থ, হাসিখুশি, সজীব শিশু।

 

Raiyyan Tahsan Date:-09-07-2025 Wednesday Time:-08-15-23 Pm

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top