Hello I'm Raiyyan Tahsan
Brand Model and Executive

TC (509). (05)Orthopedics Case No 15. গোড়ালি-ব্যথা

সাধারণত যেসব কারণে গোড়ালিতে ব্যথা হয়ে থাকে ইদানীং অনেকেই গোড়ালি-ব্যথায় ভোগেন। এর সাধারণ কারণ হলো মচকে যাওয়া বা গোড়ালির চারপাশের লিগামেন্টগুলো প্রসারিত বা ছিঁড়ে যাওয়া। এ ছাড়া কারণগুলো হলো প্লান্টার ফ্যাসাইটিস, ক্যালকেনিয়াম স্পার, গেটেবাত, বারসাইটিস, টারসাল টানেল সিনড্রোম, অ্যাকিলিস টেন্ডিনাইটিস, হাড়ভাঙা বা হাড়ক্ষয় (অস্টিওপোরোসিস) ইত্যাদি।

গোড়ালি–ব্যথা (Knee Pain)

১. গোড়ালি–ব্যথা কী?
গোড়ালি-ব্যথা বলতে হাঁটার, দৌড়ানোর বা হাঁটু সোজা/ঘোরা—এই সব চলাচলের সময় হাঁটুর এলাকায় অনুভূত অস্বস্তি বা বেদনা বুঝায়। ব্যথা হালকা টেনে আসে বা মাঝেমধ্যে তীব্র সংঘর্ষের মতো হতে পারে।


২. কেন হয়?

  • সুরukkan ও আঘাত: পড়ে যাওয়া, খেলাধুলায় মাটিতে ধাক্কা, সোজা হাঁটুতে আঘাত
  • ছদ্মঘাম অস্বাভাবিকতা: হাঁটু সঠিকভাবে না বাঁকানো, পেশী দুর্বলতা বা অস্বস্তিকর হাঁটা
  • বয়সজনিত পরিবর্তন: বয়স বাড়ার সঙ্গে স্নায়ু ও হাড়ের গঠনে পরিবর্তন

৩. প্রধান কারণসমূহ

কারণবর্ননা
অস্টিওআর্থ্রাইটিস দীর্ঘমেয়াদী চলাফেরায় হাঁটুর কার্টিলেজ্ নষ্ট হয়ে হাঁটুতে যন্ত্রণার সৃষ্টি। বেশি বক্রতা, সকালে শক্ত লাগা।
রুম্যাটয়েড আর্থ্রাইটিস অটোইমিউন প্রদাহজনিত কারণে সংযুক্তিকা স্থানে প্রদাহ, ফোলা, সকালে কড়কড়ে ব্যথা অনুভূতি।
গ্যাস্ট্রোকনেমিয়াল পেশী চোট পেশী বা টেনডন অতিরিক্ত প্রসারিত হলে ব্যথা, হাঁটা বা সোজা হাঁটুতে খিঁচুনি।
মেনিসকাস আঘাত বাঁকানোর সময় ‘ক্লিক’-এর সঙ্গে তীব্র ব্যথা, ফোলা, হাঁটু আটকে যায়।
প্যাটেলা (ঘুটনের ঢিল) সমস্যা পেটেলার টেনডন বা কার্টিলেজের বিকৃতি, চেপে ধরা বা সাইডে সরে যাওয়ার কারণে হাঁটুতে ব্যথা।
বুরসাইটিস বুরসা (তেলদানি) প্রদাহ, হাঁটু ফোলা ও স্পর্শে তীব্র সংবেদনশীলতা।
গাউট বা ইউরিক অ্যাসিড সাবচক্র আঠালো আর্তিতে ইউরিক অ্যাসিড স্ফটিক জমে তীব্র জ্বালা–পোড়ার মতো ব্যথা।
টেনডিনাইটিস টেনডনগুলোতে দীর্ঘমেয়াদী ক্ষত বা জ্বালা–পোড়া, হাঁটুর সামনের দিকে ব্যথা।

৪. নির্ণয় (Diagnosis)

১. ক্লিনিক্যাল ইতিহাস (History)

  • ব্যথার অবস্থা (হালকা/তীব্র, চলাচলে বৃদ্ধি)
  • আঘাতের পূর্বের ঘটনা, শারীরিক কার্যকলাপ
  • সকালে কড়কড়ে পাকা? রাতে ব্যথা বাড়ে?

২. শারীরিক পরীক্ষা (Physical Examination)

  • দৈহিক পরিদর্শন: হাঁটুর شکل, ফোলা, লালচে ভাব
  • সংবেদনশীলতা পরীক্ষা: স্পর্শে ব্যথার অবস্থান চিহ্নিত
  • রেঞ্জ অফ মোশন (ROM): হাঁটু সোজা/বাঁকানো কতদূর যায়
  • স্টেবলিটি টেস্ট:
    • Lachman’s test (ACL integrity)
    • McMurray’s test (মেনিসকাস সমস্যা)
    • Valgus/Varus stress test (MCL/LCL)

৩. ছবি পরীক্ষা (Imaging Studies)

  • X-ray: অস্টিওআর্থ্রাইটিস, ফ্র্যাকচার, বোন স্পার,
  • Xray Right Calcanium B/V-RT/L Digitial,
  • XRAY L/S Spine B/V Digital.
  • RA Factor,CBC.
  • Uric Acid Test
  • MRI: টেনডন, লিগামেন্ট, মেনিসকাস বা কার্টিলেজ ক্ষতি
  • Ultrasound: বুরসা, টেনডিনাইটিস, তরল সঞ্চয়

৪. ল্যাবরেটরি টেস্ট

  • রিউম্যাটয়েড ফ্যাক্টর (RF), সিট্রুলিনেটেড পেপটাইড (CCP) (রিউম্যাটয়েড মূল্যায়ন)
  • ইউরিক অ্যাসিড লেভেল (গাউট সন্দেহে)
  • সিআরপি, ইএসআর (উচ্চ প্রদাহের ইনডিকেটর)

টীকা: সঠিক চিকিৎসার জন্য অর্থোপিডিক বা রিউমাটোলজিস্টের পরামর্শ নিন। প্রাথমিক ব্যথা হওয়ার ক্ষেত্রে বিশ্রাম, বরফ সেঁক, পেশী শক্তি বাড়ানোর ব্যায়াম এবং প্রয়োজনমতো পেইনকিলার (যেমন NSAIDs) ব্যবহার করুন।

Drug Management
Below is an overview of commonly used pharmacologic treatments for knee pain, including generic names and representative brand names. Always tailor choice and dose to the individual patient’s needs, comorbidities, and contraindications.

Drug ClassGeneric NameCommon Brand NamesTypical Adult Dose¹Notes
Analgesic (Non-opioid)AcetaminophenTylenol, Panadol500–1,000 mg every 6–8 h (max 3 g/day)First-line for mild pain; fewer GI side effects than NSAIDs.
NSAID (Oral)IbuprofenAdvil, Motrin200–400 mg every 4–6 h (max 1,200 mg/day OTC)Watch for GI upset, renal function, and blood pressure.
NaproxenAleve, Naprosyn220 mg every 8–12 h (max 660 mg/day)Longer half-life; taken twice daily.
DiclofenacVoltaren (tablet), Cataflam50 mg two to three times dailyAlso available as topical gel (Voltaren Gel) for localized relief.
Topical NSAIDDiclofenac gelVoltaren GelApply 2 – 4 g to affected knee up to 4×/dayLower systemic exposure; good for patients at GI/renal risk.
COX-2 InhibitorCelecoxibCelebrex100 mg twice daily or 200 mg once dailyLess GI toxicity; cardiovascular risk considerations.
Adjunctive NeuromodulatorDuloxetineCymbalta30 mg once daily (titrate to 60 mg/day)For chronic OA pain with central sensitization features.
Opioid Analgesic²TramadolUltram50–100 mg every 4–6 h (max 400 mg/day)Reserve for severe pain unresponsive to above; risk of dependence.
Intra-articular InjectionMethylprednisolone acetateDepo-Medrol, Kenalog20–40 mg injection every ≥3 monthsRapid relief for inflammatory flares; monitor cumulative steroids.
Hyaluronic acidSynvisc, Orthovisc2 – 3 mL injection once weekly ×3–5 weeksViscosupplementation; variable benefit in osteoarthritis.

¹

Tablet 1.Gabaril CR 82.5 Or Pregabalin

Doses are typical adult recommendations; adjust for age, weight, renal/hepatic function.
² Use the lowest effective dose for the shortest duration; follow opioid-safety guidelines.

১। প্রতিরোধ কৌশলসমূহ

  • ওজন নিয়ন্ত্রণ:
    অতিরিক্ত ওজন হাঁটুর উপর চাপ বাড়ায়। স্বাভাবিক BMI বজায় রাখলে প্রতিদিন হাঁটুর আরাম বাড়ে।
  • পেশী শক্তি বৃদ্ধি ব্যায়াম:
    • কোয়াড্রিসেপ্স স্ট্রেন্থেনিং: সোজা টেক নিয়ে লেগ রেইজ, ওয়াল স্কোয়াট
    • হ্যামস্ট্রিং কার্ল: নরম ম্যাটে পায়ের পেছন দিকের পেশী টানানো
  • নমনীয়তা (Flexibility) ব্যায়াম:
    • কোয়াড্রিসেপ্স, হ্যামস্ট্রিং ও ক্যাল্ভ স্ট্রেচিং
    • প্রতিদিন ৫–১০ মিনিট বেঁকে–সোজা এবং ধীরে–ধীরে টান
  • কম প্রভাব যুক্ত (Low-impact) অ্যারোবিক্স:
    সাঁতার, সাইক্লিং বা এলিপটিকাল মেশিন মূলত হাঁটুর উপর কম চাপ ফেলে
  • উষ্ণ–আপ ও কুল–ডাউন:
    ব্যায়ামের আগে ৫–১০ মিনিট হালকা জগিং বা স্ট্রেচ, শেষে ঠাণ্ডা জল চােপ দিলে পেশী দ্রুত আরামে আসে
  • সঠিক জুতা ও ইনসোল:
    শক আবসর্ব করার জুতা ব্যবহার করুন; বাতাস চলাচলের জন্য আরামদায়ক, পা সঠিক অবস্থায় রাখে এমন ইনসোল ব্যবহার করুন
  • ধাপে ধাপে লোড বৃদ্ধি:
    ব্যায়াম বা হাঁটার পরিমাণ সপ্তাহে ১০% এর বেশি বাড়াবেন না
  • পরিবেশগত ব্যবস্থা:
    নরম বা রাবার ম্যাটে দাঁড়াবেন; অত্যধিক শক্ত বা অস্বস্তিকর ফ্লোর এড়িয়ে চলুন

২। গৃহে ব্যবস্থাপনা (Home Management)

  • RICE পদ্ধতি:
    • Rest (বিশ্রাম): প্রথম ২৪–৪৮ ঘণ্টা দীর্ঘক্ষণ হাঁটা বা দাঁড়ানো এড়িয়ে চলুন
    • Ice (বরফ): ১৫–২০ মিনিট করে দিনে ৩–৪ বার আইস প্যাক প্রয়োগ করুন
    • Compression (সংকোচন): ইলাস্টিক ব্যান্ডেজ বা নাইলন স্লিভ দিয়ে হালকা চাপ দিন
    • Elevation (উচ্চতায় রাখা): পাঞ্জা বুক বা বালিশে তুলে হাঁটু দমিয়ে রাখলে ফোলা و ব্যথা কমে
  • হালকা ব্যায়াম ও স্ট্রেচিং:
    নির্দিষ্ট পেশী শক্তি বাড়ানোর লেগ রেইজ, হিল স্লাইড, সোজা হাঁটু স্ট্রেচ
  • গরম সেঁক:
    ক্রমাগত দীর্ঘমেয়াদী ব্যথায় দিনে ১–২ বার ১০–১৫ মিনিট হট প্যাক ব্যবহার করলে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে
  • মালিশ (Self-massage):
    হালকা অলিভ অয়েল বা ল‌্যাবেল ক্রিম দিয়ে ওপরের পেশী মালিশ করলে আরাম এবং রিল্যাক্সেশন
  • ওভার–দ্য–কাউন্টার ওষুধ:
    • NSAIDs: ইবুপ্রোফেন (Advil, Motrin) বা ন্যাপ্রোক্সেন (Aleve) নির্দেশমতো
    • টপিক্যাল জেল/ক্রিম: ডাইক্লোফেনাক (Voltaren Gel) দিনে ৩–৪ বার প্রয়োগ
  • পুষ্টি এবং হাইড্রেশন:
    পর্যাপ্ত পানি পান করুন; অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি খাবার (মাছ, বাদাম, সবুজ শাক) গ্রহণ বাড়ান
  • সকাল–বেলা হালকা হাঁটা:
    ফ্লোরেড, শীতল পরিবেশে হাঁটলে পেশী ঢিলা হয় এবং সারাদিন আরাম থাকে
  • সাপোর্টিভ গিয়ার:
    হাঁটুর রোডার বা নাইট ব্রেস ব্যবহার করলে অতিরিক্তভাবে সমর্থন মেলে

টীকা: যদি ৭–১০ দিনের মাঝে উপশম না হয়, বা শ্বাসকষ্ট/জ্বর/হঠাৎ দুর্বলতা দেখা দেয়, তাহলে অর্থোপেডিক বা ফিজিওথেরাপিস্টের পরামর্শ নিন।

Top of Form

Bottom of Form

যাদের বেশি হয় : দীর্ঘদিন ধরে যারা শক্ত সোলের জুতা ব্যবহার করছেন, তাদের হতে পারে। স্থূলতা, দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে কাজ করা, পেলভিস পোস্টেরিয়র টিল্ট বা নকনির জন্যও গোড়ালিতে ব্যথা হতে পারে। তুলনামূলকভাবে নারীদের এ ব্যথা বেশি হয়, বিশেষ করে গর্ভাবস্থায়। জন্মগত ফ্ল্যাট ফুট বা উঁচু আর্চের পায়ের জন্যও গোড়ালি ব্যথা হতে পারে।

সাধারণ চিকিৎসা : আক্রান্ত পা বিশ্রামে রাখতে হবে। ব্যথার স্থানে ৭-১০ মিনিট দিনে ৩বার বরফ দিন। ইনজুরির স্থানে কম্প্রেশন ব্যান্ডেজ ব্যবহার করুন। আরামদায়ক জুতা পরুন। ব্যথা কমাতে ননস্ট্রেরয়েডাল অ্যান্টি ইনফ্লামেটরি ড্রাগস গ্রহণ করুন। পা উঁচুতে রাখুন। এতে ফোলাভাব কমে যাবে, রক্তসঞ্চালন বৃদ্ধি পাবে।

ফিজিওথেরাপি বর্তমানে জনপ্রিয় চিকিৎসা-পদ্ধতি। দক্ষ ফিজিওথেরাপিস্ট রোগীর শারীরিক পরীক্ষা এক্স-রে ও রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে সঠিকভাবে রোগ নির্ণয় করেন। নিয়মিত কয়েক সপ্তাহ ফিজিওথেরাপি সেশনের মাধ্যমে রোগীরা অনেকটাই উপকৃত হন। ম্যানুয়াল বা ম্যানুপুলেশন থেরাপি, লেজার, আল্টাসাউন্ড, টেপিং ও কিছু এক্সারসাইজের মাধ্যমে চিকিৎসা দিয়ে থাকেন। কিছু ব্যায়াম আছে, যেগুলো ঘরে বসে খুব সহজেই করা যায়।

গোড়ালি–ব্যথার ব্যায়াম : দেয়ালের কাছে দাঁড়িয়ে গোড়ালি তুলে পায়ের বৃদ্ধা আঙুলের ওপর ভর করে দাঁড়ান এবং ৩০ সেকেন্ড ধরে রাখুন। এ ব্যায়ামটি ১০বার করুন দিনে ৩বার। একটি পানির বোতল ভরে ফ্রিজে রাখুন। বরফ জমে গেলে বোতলটি পায়ের নিচে রেখে ৩০ সেকেন্ড ফুটরোল করুন। এভাবে দিনে ৩বার করুন। একটি ফিতা বা চোয়ালে নিয়ে পায়ের পাতার সামনের অংশে আটকে দুই হাত দিয়ে হালকা করে টানুন এবং ৩০ সেকেন্ড ধরে রাখুন। দিনে ৩বার করুন। একটি টেনিস বল নিয়ে পায়ের গোড়ালি থেকে পাতা পর্যন্ত ১৫ থেকে ২০ বার রোল করুন দিনে ৩বার। হাত দিয়ে পায়ের পাতায় কেন্দ্র থেকে বাইরের দিকে আস্তে আস্তে চাপ দিয়ে ম্যাসেজ করুন। এ ম্যাসেজটি দিনে ৩বার করুন একই নিয়মে।

যে কোনো দেয়ালের সামনের দাঁড়ান। একটি পা সামনে ও অপর পা পেছনের দিকে সোজা করে রাখুন। সামনের পায়ের হাঁটু ভাঁজ করুন। পেছনের পায়ের হাটু ভাঁজ না করে একদম সোজা রাখুন। দুই হাত দিয়ে দেয়ালে ভর দিন। এ সময় আপনার পেছনের পা এবং গোড়ালিতে টান অনুভব করবেন। একই পজিশনে পেছনের পা সামনে এনে ২০-৩০ সেকেন্ড ধরে রাখুন। এভাবে দুই পায়ে দশবার করে দিনে তিনবার করুন।

ফিজিওথেরাপিস্টের কাছে যখন যাবেন : আক্রান্ত পায়ে ভার রাখতে যদি তীব্র ব্যথা হয়; পায়ের আকৃতির যদি কোনো পরিবর্তন ঘটে; যদি ব্যথার অবনতি হয়; হাঁটার সময় আক্রান্ত পায়ের ভারসাম্য যদি বজায় না থাকে; ১৪ দিন পরও যদি ব্যথা স্থায়ী হয়; উষ্ণতা, ফোলা বা লাল ভাব যদি থাকে।

প্রতিকার : উঁচু ও শক্ত সোলের জুতা পরবেন না। দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে কাজ করবেন না। অতিরিক্ত অসম পৃষ্ঠে চলাচল করবেন না। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় সামুদ্রিক মাছ, শাকসবজি ও ফলমূল রাখুন। দেহে ভিটামিন-ডি’র সঠিক মাত্রা নিশ্চিত করুন। ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন। আঘাত রোধ করতে যে কোনো শারীরিক ক্রিয়াকলাপের আগে ও পরে জয়েন্টগুলো সঠিকভাবে ওয়ার্মআপ ও কুল ডাউন করার জন্য সময় নিন।

Raiyyan Tahsan Date:-26-05-2025 Monday Time:-11-47-49 Pm

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top